রাতে হোটেলের ভিতর নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছিলেন সকলে। কারও প্ল্যান ছিল পরের দিন তারাপীঠে পুজো দেওয়ার, কেউ আবার পুজো দিয়ে ফেলেছেন বাড়ির ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু গভীর রাতে এমন হাড়হিম ঘটনা ঘটবে কল্পনারও বাইরে।
বিস্তারিত পড়ুন: Tarapith Hotel Fire: ‘পটপট করে আওয়াজ…আমার উল্টোদিকের ৭ জন মরে গেছে,ভগবান বাঁচিয়েছেন’, তারাপীঠের হোটেলের হাড়হিম অভিজ্ঞতা বললেন আবাসিক
ভোররাত। তখন সকলে ঘুমে আচ্ছন্ন। শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবার কেউ হয়তো মা তারাকে পুজো দিতে এসেছিলেন, কেউ আবার ঘুরতে গিয়েছিলেন, আবার কেউ ছিলেন দিন আনা দিন খাওয়া মানুষজন। কিন্তু, সোমবারের সকালটা যে আর দেখা হবে না, তা কেই বা জানত।
বিস্তারিত পড়ুন: Tarapith Hotel Fire: তারাপীঠের হোটেলে ভয়াবহ আগুন, ঘুমের মধ্যেই অগ্নিদগ্ধ অনেকে! মৃত অন্তত ৬
টানা বৃষ্টির জেরে তারাফেনী ও ডুলুং নদীর জলস্তর বৃদ্ধি। একদিকে তারাফেনী ঢোলভাঙা কজওয়ে পুরোপুরি জলের তলায় চলে গেছে। পাশাপাশি বিনপুর ১ ও ২ নম্বর ব্লকের একাধিক গ্রামের সঙ্গে ঝাড়গ্রাম জেলা সদরের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।পাশাপাশি বাঁকুড়ার রাইপুরের ঢেকো, মেলেড়া ও ধানাড়া অঞ্চলের সাথে ঝাড়গ্রামের যোগাযোগ বন্ধ।
বঙ্গোপসাগরে জন্ম হওয়া নিম্নচাপ আরও শক্তি বাড়িয়ে অতিগভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ধীরে ধীরে সেটি প্রবেশ করছে স্থলভাগে। বর্তমানে এর অবস্থান কলকাতার ঠিক মাথার উপর। ধীরে ধীরে সেটি দক্ষিণবঙ্গ হয়ে সরে যাবে ঝাড়খন্ডের দিকে। তবে, তার জেরে ভাসবে বাংলা। শুধু তাই নয়, ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে বইবে দমকা বাতাসও। বাজ পড়লে কংক্রিটের নিচে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ আবহবিদের।
সোমবার প্রবল বৃষ্টিতে ভাসবে বাংলা। সেই পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া অফিস। আর তেমনটাই হল। সপ্তাহের শুরুর দিন আকাশের মুখ ভার। কালো মেঘে ঢেকে পুরো আকাশ। সকাল থেকে মুষলধারে বৃষ্টি হয়ে চলেছে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়। হাওয়া অফিস বলছে, বর্তমানে কলকাতার ঠিক উপরেই অবস্থান করছে নিম্নচাপ। এর জেরে আরও বৃষ্টি হবে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছে হাওয়া অফিস। আগামী ২৪ ঘণ্টায় ১১৫ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা মহানগরে।ঘণ্টায় ২০-৩০ মিলিমিটার বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে কলকাতায়। যত সময় যাবে বৃষ্টির তীব্রতা বাড়বে।
তারাপীঠ থানা থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে পুকুরের ধারে অবস্থিত হোটেলে লাগল আগুন। সোমবার সেই হোটেলেই ভোররাতে আচমকা আগুন লাগে। জানা গিয়েছে, ভোররাতে হোটেলের এক তলায় বিদ্যুত সরবরাহের এনসিবিতে হঠাৎ আগুন দেখতে পান হোটেলের কর্মীরা। তারপরই চিৎকার, ডাকাডাকি শুরু করেন তাঁরা। কিন্তু, ততক্ষণে আগুন পুরো ছড়িয়ে পড়ে হোটেলের বিল্ডিংয়ে। মৃত্যু ছয়জনের।
রাতে হোটেলের ভিতর নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছিলেন সকলে। কারও প্ল্যান ছিল পরের দিন তারাপীঠে পুজো দেওয়ার, কেউ আবার পুজো দিয়ে ফেলেছেন বাড়ির ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু গভীর রাতে এমন হাড়হিম ঘটনা ঘটবে কল্পনারও বাইরে।
বিস্তারিত পড়ুন: Tarapith Hotel Fire: ‘পটপট করে আওয়াজ…আমার উল্টোদিকের ৭ জন মরে গেছে,ভগবান বাঁচিয়েছেন’, তারাপীঠের হোটেলের হাড়হিম অভিজ্ঞতা বললেন আবাসিক
ভোররাত। তখন সকলে ঘুমে আচ্ছন্ন। শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবার কেউ হয়তো মা তারাকে পুজো দিতে এসেছিলেন, কেউ আবার ঘুরতে গিয়েছিলেন, আবার কেউ ছিলেন দিন আনা দিন খাওয়া মানুষজন। কিন্তু, সোমবারের সকালটা যে আর দেখা হবে না, তা কেই বা জানত।
বিস্তারিত পড়ুন: Tarapith Hotel Fire: তারাপীঠের হোটেলে ভয়াবহ আগুন, ঘুমের মধ্যেই অগ্নিদগ্ধ অনেকে! মৃত অন্তত ৬
টানা বৃষ্টির জেরে তারাফেনী ও ডুলুং নদীর জলস্তর বৃদ্ধি। একদিকে তারাফেনী ঢোলভাঙা কজওয়ে পুরোপুরি জলের তলায় চলে গেছে। পাশাপাশি বিনপুর ১ ও ২ নম্বর ব্লকের একাধিক গ্রামের সঙ্গে ঝাড়গ্রাম জেলা সদরের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।পাশাপাশি বাঁকুড়ার রাইপুরের ঢেকো, মেলেড়া ও ধানাড়া অঞ্চলের সাথে ঝাড়গ্রামের যোগাযোগ বন্ধ।
বঙ্গোপসাগরে জন্ম হওয়া নিম্নচাপ আরও শক্তি বাড়িয়ে অতিগভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ধীরে ধীরে সেটি প্রবেশ করছে স্থলভাগে। বর্তমানে এর অবস্থান কলকাতার ঠিক মাথার উপর। ধীরে ধীরে সেটি দক্ষিণবঙ্গ হয়ে সরে যাবে ঝাড়খন্ডের দিকে। তবে, তার জেরে ভাসবে বাংলা। শুধু তাই নয়, ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে বইবে দমকা বাতাসও। বাজ পড়লে কংক্রিটের নিচে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ আবহবিদের।
সোমবার প্রবল বৃষ্টিতে ভাসবে বাংলা। সেই পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া অফিস। আর তেমনটাই হল। সপ্তাহের শুরুর দিন আকাশের মুখ ভার। কালো মেঘে ঢেকে পুরো আকাশ। সকাল থেকে মুষলধারে বৃষ্টি হয়ে চলেছে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়। হাওয়া অফিস বলছে, বর্তমানে কলকাতার ঠিক উপরেই অবস্থান করছে নিম্নচাপ। এর জেরে আরও বৃষ্টি হবে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছে হাওয়া অফিস। আগামী ২৪ ঘণ্টায় ১১৫ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা মহানগরে।ঘণ্টায় ২০-৩০ মিলিমিটার বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে কলকাতায়। যত সময় যাবে বৃষ্টির তীব্রতা বাড়বে।
তারাপীঠ থানা থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে পুকুরের ধারে অবস্থিত হোটেলে লাগল আগুন। সোমবার সেই হোটেলেই ভোররাতে আচমকা আগুন লাগে। জানা গিয়েছে, ভোররাতে হোটেলের এক তলায় বিদ্যুত সরবরাহের এনসিবিতে হঠাৎ আগুন দেখতে পান হোটেলের কর্মীরা। তারপরই চিৎকার, ডাকাডাকি শুরু করেন তাঁরা। কিন্তু, ততক্ষণে আগুন পুরো ছড়িয়ে পড়ে হোটেলের বিল্ডিংয়ে। মৃত্যু ছয়জনের।