Anti-social activities Bill Explained: এক বছর পর্যন্ত আটক রাখতে পারে সরকার, সোমবার আসছে বিল

West Bengal Public Safety Bill 2026: স্বরাষ্ট্র দফতর বলছে, এই বিলের উদ্দেশ্য হল জননিরাপত্তা বজায় রাখা । শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করা। অসামাজিক কার্যকলাপ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করা। যাদের সরকার 'অসামাজিক' বা 'গুন্ডা' হিসেবে চিহ্নিত করবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক আটক। এলাকা ছাড়ার নির্দেশ, তল্লাশি ও বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা ইত্যাদি।

Anti-social activities Bill Explained: এক বছর পর্যন্ত আটক রাখতে পারে সরকার, সোমবার আসছে বিল
জেনে নিন বিলের খুঁটিনাটিImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Jun 26, 2026 | 3:34 PM

কলকাতা: কোনও চোর ছাড়া পাবে না। তার জন্য বিল আনবে স্বরাষ্ট্র দফতর। মঙ্গলবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে একথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার গুন্ডা দমনে বিল আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। সোমবার বিধানসভায় পেশ হবে ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অব অ্যান্টি-সোস্যাল অ্যাকটিভিজ বিল, ২০২৬’। এছাড়া, কংগ্রেস আমলের পুরনো আইন সংশোধনের জন্য পেশ করা হবে ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মেনটেন্যান্স অব পাবলিক অর্ডার (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’। কী কী থাকছে পাবলিক সেফটি বিলে? জেনে নিন খুঁটিনাটি।

বিধানসভায় কী বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপির স্লোগান ছিল ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’। এমনকি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ভোট প্রচারে এসে বারবার সেই বার্তা দিয়েছেন। গত মঙ্গলবার বিধানসভায় বক্তব্য রাখার সময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “কোনও চোরকে ছাড়া হবে না। আমরা শপথ নিয়েছি, কোনও চোর জেলের বাইরে থাকবে না। অনেকে ভাবছেন জেলে গিয়ে, ২ মাস জামিনে বেরিয়ে এলাম। তা হবে না। বিল আনছি। সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করব। সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে অকশন করব।” মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর হাতেই রয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর। সেই স্বরাষ্ট্র দফতর গুন্ডা দমনে সোমবার বিধানসভায় বিল পেশ করবে।

‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অব অ্যান্টি-সোস্যাল অ্যাকটিভিজ বিল, ২০২৬’-র উদ্দেশ্য কী?

স্বরাষ্ট্র দফতর বলছে, এই বিলের উদ্দেশ্য হল জননিরাপত্তা বজায় রাখা । শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করা। অসামাজিক কার্যকলাপ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করা। যাদের সরকার ‘অসামাজিক’ বা ‘গুন্ডা’ হিসেবে চিহ্নিত করবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক আটক। এলাকা ছাড়ার নির্দেশ, তল্লাশি ও বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা ইত্যাদি।

‘অসামাজিক কার্যকলাপ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

  • বিলে ‘anti-social activity’ বা অসামাজিক কার্যকলাপ বলতে এমন কাজ বোঝানো হয়েছে, যা সরাসরি বা পরোক্ষভাবে—
  • সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক, ভয়, নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে।
  • জীবন, ব্যক্তি বা সম্পত্তির বড়সড় ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করে।
  • জনশৃঙ্খলা বা জনশান্তি বিঘ্নিত করে।
  • কারও বৈধ ব্যবসা, পেশা, কাজকর্মে বাধা দেয়।
  • কারও স্থাবর কিংবা অস্থাবর সম্পত্তি বেআইনিভাবে দখল করে।
  • সরকারি বা বেসরকারি সম্পত্তির বড়সড় ক্ষতি করে।
  • খনি, পাথরখাদান, বালি তোলা, বনজ দ্রব্য, বন্যপ্রাণ সংক্রান্ত বেআইনি কাজ করে সরকারি অর্থের ক্ষতি ঘটায়।

‘গুন্ডা’ কাকে বলা হচ্ছে?

  • বিলে ‘goonda’ বা গুন্ডা বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে-
  • নিজে বা কোনও দল/চক্র/সিন্ডিকেটের সদস্য বা নেতা হিসেবে নিয়মিত অসামাজিক কাজ করে, করানোর চেষ্টা করে, মদত দেয়, অর্থ জোগায় বা সুবিধা করে দেয় অথবা
  • ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-র ১১১ বা ১১২ ধারার অপরাধে চার্জশিটভুক্ত অথবা
  • Arms Act, NDPS Act, Immoral Traffic Act, Explosive Substances Act-এর অধীন অপরাধে জড়িত অথবা
  • সমাজে বিপজ্জনক ও মরিয়া ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।

আটক করার ক্ষমতা-

বিলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল আটক করার ক্ষমতা। পুলিশ সুপার বা তাঁর ঊর্ধ্বতন কোনও পুলিশ আধিকারিকের রিপোর্টের ভিত্তিতে রাজ্য সরকার যদি মনে করে যে কোনও ‘গুন্ডা’-কে আটক করা দরকার যাতে সে ভবিষ্যতে অসামাজিক কাজ করতে না পারে, তাহলে আটকের নির্দেশ দিতে পারবে।

আটক করার নির্দেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ শর্ত-

  • সাধারণত আটকের নির্দেশ দেওয়া হবে, যদি গত ৭ বছরের মধ্যে ওই ব্যক্তি—
  • অন্তত একবার সংশ্লিষ্ট অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে থাকে অথবা
  • একই ঘটনার অংশ নয়, এমন কমপক্ষে ৩টি আলাদা ক্ষেত্রে চার্জশিটভুক্ত হয়ে থাকে
  • তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রমও আছে। যদি সরকার লিখিতভাবে মনে করে যে জননিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলার স্বার্থে আটক জরুরি, তাহলে এই শর্ত শিথিল করা যেতে পারে।

জেলাশাসক কিংবা পুলিশ কমিশনারও আটক করার নির্দেশ দিতে পারবেন-

  • যদি কোনও এলাকায় পরিস্থিতি এমন হয় যে অবিলম্বে ব্যবস্থা দরকার, তাহলে সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে জেলাশাসক বা পুলিশ কমিশনারকে আটক করার নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা দিতে পারে।
  • তবে এই ধরনের আটক করার নির্দেশ রাজ্য সরকারকে অবিলম্বে জানাতে হবে। ১৫ দিনের বেশি কার্যকর থাকবে না, যদি না রাজ্য সরকার তার মধ্যে অনুমোদন দেয়।

আটক করার আদেশ রাজ্যের যে কোনও জায়গায় কার্যকর করা যাবে-

এই আইনে আটক করার আদেশ জারি হলে, তা পশ্চিমবঙ্গের যে কোনও স্থানে কার্যকর করা যাবে, ঠিক যেমন গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করা হয়।

আটক ব্যক্তিকে কোথায় রাখা হবে-

আটক হওয়া ব্যক্তিকে পশ্চিমবঙ্গের কোনও সংশোধনাগারে রাখা হবে যা সরকার স্থির করবে।

পলাতক হলে কী হবে-

  • যদি কোনও ব্যক্তি পালিয়ে থাকে বা লুকিয়ে থাকে, তবে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে রিপোর্ট করা যাবে।
  • সরকারি গেজেটে নোটিফিকেশন দিয়ে তাকে নির্দিষ্ট সময়ে হাজির হতে বলা যাবে।
  • নির্দেশ না মানলে দুই বছর পর্যন্ত জেল কিংবা জরিমানা বা উভয়ই হতে পারে।

আটক ব্যক্তিকে কী জানাতে হবে?

  • যখন কাউকে আটক করা হবে, তখন তাকে আটক করার কপি দিতে হবে।
  • আটকের কারণ জানাতে হবে।
  • যতটা সম্ভব সংশ্লিষ্ট নথির কপি দিতে হবে।
  • সাধারণত আটকের ৫ দিনের মধ্যে কারণ জানাতে হবে।
  • তাকে জানাতে হবে যে সে রাজ্য সরকার ও Advisory Board-এর কাছে আপত্তি/প্রতিনিধিত্ব জানাতে পারে।
  • সরকার এমন কোনও তথ্য না-ও দিতে পারে, যদি তারা মনে করে, তা দিলে গোপন সূত্রের পরিচয় ফাঁস হবে অথবা তা জনশৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বা জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে যাবে।
  • আরেকটি অংশ, আটক ব্যক্তিকে আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শের সুযোগ ও প্রতিনিধিত্ব করার যুক্তিসঙ্গত সহায়তা দিতে হবে।

অ্যাডভাইজরি বোর্ড-

এই আইনের অধীনে রাজ্য সরকার এক বা একাধিক Advisory Board গঠন করবে। বোর্ডে থাকবেন, একজন চেয়ারপার্সন, যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি বা প্রাক্তন বিচারপতি। আরও দু’জন সদস্য, যাঁরা হাইকোর্টের বিচারপতি হওয়ার যোগ্য।

কাজ কী?

যে কাউকে আটক করা হবে, সেই মামলা ৩ সপ্তাহের মধ্যে এই বোর্ডের কাছে পাঠাতে হবে।

বোর্ড কী করবে?

নথি দেখবে। প্রয়োজন হলে আরও তথ্য চাইবে। আটক ব্যক্তি চাইলে তাকে শুনানির সুযোগ দিতে পারে। ৯ সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে মতামত দেবে যে আটক রাখার যথেষ্ট কারণ আছে কি না।

ফলাফল-

যদি বোর্ড বলে যথেষ্ট কারণ আছে, সরকার আটকে রাখতে পারবে। যদি বোর্ড বলে যথেষ্ট কারণ নেই, সরকারকে আটক করার নির্দেশ বাতিল করে মুক্তি দেবে। আটক ব্যক্তি সাধারণভাবে আইনজীবী নিয়ে বোর্ডে হাজির হওয়ার অধিকারী নন। তবে বোর্ড চাইলে বিশেষ ক্ষেত্রে অনুমতি দিতে পারে। এই আইনের অধীনে সর্বোচ্চ আটকে রাখা ১২ মাস পর্যন্ত হতে পারে। পুরনো আটকের পরে আবার নতুন করে আটক করা যাবে। সরকার যে কোনও সময় আটক বাতিল বা সংশোধন করতে পারে।

কিন্তু আটক করার আদেশ উঠে গেলে বা মেয়াদ শেষ হলে আবারও একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আবার নতুন করে আটক করার নির্দেশ দেওয়া যাবে-

  • মুক্তির পরে সে যদি আবার অসামাজিক কাজে জড়ায়।
  • নতুন তথ্য সামনে আসে, যাতে মনে হয় সে আবার এমন কাজে জড়াতে পারে।
  • আগের আটক করার কোনও প্রক্রিয়াগত ত্রুটি থাকলে, তা ঠিক করে নতুন আটক করার কথা জারি করতে পারে।

সাময়িক মুক্তি-

  • সরকার চাইলে আটক ব্যক্তিকে এক সপ্তাহ পর্যন্ত সাময়িক মুক্তি দিতে পারে, শর্তসাপেক্ষে বা শর্ত ছাড়াই।
  • প্রয়োজনে বন্ড নিতে পারে।
  • সরকার পরে সেই সাময়িক মুক্তি বাতিলও করতে পারে।
  • নির্দিষ্ট সময়ে আত্মসমর্পণ না করলে আবার গ্রেফতার করে আটক করা যাবে।

এলাকা ছাড়ার নির্দেশ-

যদি জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনার, বা সরকার অনুমোদিত ডিআইজি পদমর্যাদার বা তাঁর ঊর্ধ্বতন পুলিশ অফিসার মনে করেন যে কোনও ‘গুন্ডা’ অসামাজিক কাজে জড়িত বা জড়াতে চলেছে, তাহলে তাকে শুনানির সুযোগ দিয়ে নির্দেশ দিতে পারবেন—

(ক) এলাকা ছাড়ার নির্দেশ-

  • নির্দিষ্ট এলাকা, জেলা বা জেলার অংশ ছেড়ে চলে যেতে হবে।
  • নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সেই এলাকায় ফিরতে বা ঢুকতে পারবে না।
  • এই নিষেধাজ্ঞা এক বছর পর্যন্ত হতে পারে।

(খ) চলাফেরার ওপর নজরদারি-

  • তাকে নিজের গতিবিধির খবর দিতে বলা হতে পারে।
  • নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হাজিরা দিতে বলা যেতে পারে।

আপিলের সুযোগ-

এই আদেশের বিরুদ্ধে ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্য সরকারের কাছে আপিল করা যাবে।

আদেশ ভাঙলে শাস্তি-

এই নির্দেশ অমান্য করলে তিন বছর পর্যন্ত জেল এবং জরিমানা হতে পারে।

আশ্রয় দিলে শাস্তি-

যে ব্যক্তি জানে বা বিশ্বাস করার কারণ আছে যে কারও বিরুদ্ধে এই আইনে আটক করার নির্দেশ বা বহিষ্কারাদেশ জারি হয়েছে, তবু তাকে আশ্রয় দেয় বা লুকিয়ে রাখে। তাহলে আশ্রয়দাতা হিসাবে তার দুই বছর পর্যন্ত জেল ও জরিমানা হতে পারে।

তল্লাশি ও বাজেয়াপ্তের ক্ষমতা-

  • রাজ্য সরকার বা অনুমোদিত আধিকারিক পুলিশকে ক্ষমতা দিতে পারে, যে কোনও জায়গায় ঢুকে তল্লাশি চালাতে।
  • যে কোনও ব্যক্তি, যানবাহন, নৌযান ইত্যাদি থামিয়ে তল্লাশি করতে।
  • এমন নথি, টাকা, সম্পত্তি, বস্তু বাজেয়াপ্ত করতে, যা কোনও অসামাজিক কাজে ব্যবহৃত হয়েছে, হচ্ছে, বা হতে চলেছে বলে পুলিশ মনে করে।

সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করলে সরকার কিংবা সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে মামলা নয়-

যদি রাজ্য সরকার বা কোনও সরকারি কর্মকর্তা এই আইনের অধীনে সৎ উদ্দেশ্যে (good faith) কোনও কাজ করেন বা করার চেষ্টা করেন, তাহলে সেই কাজের জন্য তাঁদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা বা অন্য কোনও আইনি পদক্ষেপ করা যাবে না।

অর্থাৎ, সরকার বা পুলিশ বলতে পারবে—তারা ‘সৎ উদ্দেশ্যে’ কাজ করেছে। তাতে তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রতিকার কঠিন হয়ে যেতে পারে।

অপরাধ হবে Cognizable এবং Non-bailable-

  • এই আইনের অধীনে অপরাধ বা বৈধ নির্দেশ অমান্য করা হলে তা হবে-
  • Cognizable – পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারবে।
  • Non-bailable বা জামিন অযোগ্য।

সরকার নিয়ম বানাতে পারবে-

এই আইন কার্যকর করতে রাজ্য সরকার আলাদা করে Rules বা নিয়ম তৈরি করতে পারে।

বিলে বলা হয়েছে, সমাজের কিছু অংশ অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত। বর্তমান আইন তা ঠেকাতে যথেষ্ট কার্যকর নয়। তাই আরও কঠোর আইন আনা দরকার। যাতে এই ধরনের কাজ দমন, শাস্তি ও প্রতিরোধ করা যায়। জানা গিয়েছে, সোমবার  ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মেনটেন্যান্স অব পাবলিক অর্ডার (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’-ও পেশ করা হবে।

Follow Us