Osman Hadi Death: বাংলার সীমান্তে গা-ঢাকা হাদির-‘হত্যাকারীর’! অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করল STF

Bangladesh Osman Hadi Death: গোপন সূত্রে তাঁদের খবর পেয়ে অভিযান চালায় এসটিএফ। গ্রেফতার করা হয় তাঁদের। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দু'জনেই বাংলাদেশের অন্যতম ছাত্র আন্দোলনকারী ওসমান হাদির খুনের কথা স্বীকার করেছে। এরপর সেই বয়ানের ভিত্তিতেই এদিন তাঁদের আদালতে পেশ করেন তদন্তকারীরা। তার পর পাঠানো হয় এসটিএফ-এর হেফাজতে।

Osman Hadi Death: বাংলার সীমান্তে গা-ঢাকা হাদির-হত্যাকারীর! অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করল STF
বাঁদিকে ওসমান হাদি, ডানদিকে ফয়জ়লImage Credit source: নিজস্ব চিত্র

| Edited By: Avra Chattopadhyay

Mar 08, 2026 | 6:51 PM

কলকাতা: প্রায় তিন মাসের মাথায় গ্রেফতার হাদি-কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত। ডিসেম্বর মাসে প্রকাশ্যে দিবালোকে মাথায় গুলি করে খুন করা হয়েছিল বাংলাদেশের ‘ইনকিলাব মঞ্চের’ আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে। সেই ঘটনার পর থেকেই আন্তর্জাতিক স্তরে তল্লাশি চালিয়েছে বাংলাদেশের পুলিশ। যোগাযোগ করেছে ভারতের সঙ্গেও। অবশেষে সেই মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য এসটিএফ। গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁর এক সহযোগীকেও।

ধৃত দুই অভিযুক্তের নাম ফয়জ়ল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন। এদের মধ্যে ফয়জ়লকেই মূল অভিযুক্ত বলে চিহ্নিত করেছিল বাংলাদেশ পুলিশ। ইতিমধ্যে তদন্তে দ্রুততা আনতে ফয়জ়লের গোটা পরিবারকেও আটক করেছে ঢাকা পুলিশ। তবে দফায় দফায় তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের পরেও মেলেনি ফয়জ়লের হদিশ। অবশেষে হাদি খুনের প্রায় তিন মাসের মাথায় সেই মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার করল রাজ্যে পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে চাঁদাবাজি, খুন ও ভারতের অবৈধ ভাবে প্রবেশের অপরাধেই ফয়জ়ল ও আলমগীরকে গ্রেফতার করেছে এসটিএফ। গ্রেফতারির আগে দু’জনে বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় একটি বাড়িতে গা-ঢাকা দিয়েছিল। গোপন সূত্রে তাঁদের খবর পেয়ে অভিযান চালায় এসটিএফ। গ্রেফতার করা হয় তাঁদের। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দু’জনেই বাংলাদেশের অন্যতম ছাত্র আন্দোলনকারী ওসমান হাদির খুনের কথা স্বীকার করেছে। এরপর সেই বয়ানের ভিত্তিতেই রবিবার তাঁদের আদালতে পেশ করে তদন্তকারীরা। তার পর পাঠানো হয় এসটিএফ-এর হেফাজতে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর জুম্মার নমাজের পর ঢাকার বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকা দিয়ে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন হাদি। সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। মাথায় গুলি লাগে হাদির। দ্রুত ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে বাংলাদেশের তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার তাঁকে সিঙ্গাপুরে পাঠায়। কিন্তু সেই দূর দেশ থেকে ফেরে হাদির মৃত দেহ। মাথায় গুলি লাগায় বাঁচানো সম্ভব হয় না তাঁকে। এরপরেই হাদি-কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত হিসাবে ফয়জ়লকে চিহ্নিত করে ঢাকা পুলিশ। আটক করা হয় তাঁর গোটা পরিবার। এছাড়াও গ্রেফতার করা হয় ১১ জন অভিযুক্তকে। ডিসেম্বরের শেষ দিকে ঢাকা পুলিশ জানায় মেঘালয় হয়ে চোরা পথে ফয়জ়ল ও আলমগীর ভারতে প্রবেশ করেছে। অবশেষে তাদের বনগাঁ সীমান্ত থেকেই গ্রেফতার করল রাজ্য এসটিএফ।

Follow Us