
কলকাতা: ডবল ইঞ্জিন সরকারের কাঁধে চড়ে আরও দুরন্ত গতিতে ছুটবে রেল। শুরু থেকেই দাবি করে আসছিল পদ্ম শিবির। সরকার বদলের এক মাসের মধ্য়েই নবান্নে হয়ে গেল রেলমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক। বাংলা পাচ্ছে বুলেট ট্রেন। হাইপ্রোফাইল বৈঠকে হাজির বিধায়করাও। জমি হস্তান্তর, প্রশাসনিক ছাড়পত্র নিয়ে আলোচনার খবর মিলছে। থমকে থাকা ৬২ প্রকল্পে গ্রিন সিগন্যাল। বৈঠকে হাজির তৃণমূলের অনেক বিধায়কই। অন্যদিকে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে অটো চড়ে নানা প্রান্তে যেতে যায় বিজেপি বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোকে। বিধায়ক-সাংসদের সঙ্গেই একাধিক প্রকল্পের সাইট ভিজিটও করেন বলে জানা যায়। কলকাতা মেট্রোর জন্য ৬০টি নতুন নেক্সট জেনারেশনের ট্রেন আনা হচ্ছে বলেও এদিন কলকাতায় এসে জানান রেলমন্ত্রী।
এদিন আবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে চিংড়িহাটায় মেট্রো প্রকল্পের সাইট ভিজিটেরও কথা রয়েছে রেলমন্ত্রীর। সাংবাদিক বৈঠকে শুরুতেই একাধিক প্রকল্প দীর্ঘদিন ধরে লাল ফিঁতের ফাঁসে আটকে থাকার জন্য আগের তৃণমূল সরকারের তীব্র সমালোচনা করতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে। তাঁর সাফ কথা, “আগের সরকারের সঙ্গে তো বাংলার সরকারের একটা যুদ্ধ যুদ্ধ ভাবছিল বারবার। ১১ কোটি মানুষ বঞ্চিত হয়েছেন আগের সরকারের জন্য। রেলমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ১০২ টি নতুন অমৃত ভারত স্টেশন হবে। ৫৩৮টা ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস হবে। ১ লাখ কোটি টাকার বেশি কাজ হবে। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ১৪২০৫ কোটি টাকা দিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে বলব ডবল ইঞ্জিন সরকার ৪০টার বেশি এনওসি রেলওয়েকে দিয়েছে।”
এরপরই আগের সরকারের ভূমিকার কথা মনে করিয়ে শুভেন্দু আরও বলেন, “আমাদের কাছে বড় সুযোগ ছিল। আগের সরকার রেল মন্ত্রকের সঙ্গে কথা বলেনি। রেলমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। রেলমন্ত্রী সেই সময়ের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়েছেন, রেল বোর্ড চিফ সেক্রেটারিকে চিঠি করেছিলেন। কিন্তু ওরা সহযোগিতা করেনি।”