
কলকাতা: “কল্যাণের রুচিবোধও কম, সভ্যতাও কম, শ্লীলতাও কম। নারদার চোর হলে সেটা প্রমাণ করতে পারল না কেন কোর্টে।” কল্যাণের আক্রমণের পরেই পাল্টা দিলেন সৌগত রায়। পাল্টা তোপ দাগলেন চাঁচাছোলা ভাষায়। খোঁচা দিয়েই বললেন, ‘প্রত্যেকের সভ্যতা-শিষ্টতা তাঁর হাতে।’
প্রসঙ্গত, বিজেপি নেতা অমিত মালব্যের পোস্ট ঘিরে তোলপাড় চলছে বঙ্গ রাজনীতির আঙিনায়। নির্বাচনের কমিশনের দফতরে তৃণমূলের দুই সাংসদের ঝামেলা ঘিরেই যত ঘটনার সূত্রপাত। তৃণমূলের এক মহিলা সাংসদকে কটূক্তি করার অভিযোগ উঠেছে কল্যাণের বিরুদ্ধে। কিন্তু, আসলে ঠিক কী হয়েছিল এদিন সাংবাদিক বৈঠকে সবটাই ‘খোলসা’ করলেন কল্যাণ। সেখানেই সৌগত রায়কে বেনজির আক্রমণ করে বসলেন কল্যাণ। টানলেন নারদা কেসের প্রসঙ্গও। তাঁর দাবি, সৌগত রায়ের নারদা কেসের জন্যই তো দলের ভাবমূর্তি অনেক নষ্ট হয়েছে। সাফ বললেন, “নারদার চোর একটা…টাকা কে নিয়েছে? চোরগুলো সব এক জায়গায় চলে এসেছে।” এখানেই না থেমে তিনি আরও বললেন, “সৌগত রায়ের কোনও ক্যারেক্টর রয়েছে নাকি? এখানে এক জন বলে, ওখানে আরেক কথা বলা। ওর ক্যারেক্টরই হচ্ছে একবার এর পিছনে লাগো, এক বার ওর পিছনে লাগো।”
যদিও সৌগত বলছেন, “একদম বাজে কথা। আমি ২০০১ থেকে রয়েছি। কল্যাণ মাঝখানে হেরে গিয়েছিল। আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অন্ধভাবে অনুসরণ করি।” তাহলে কী তিনি অভিযোগ জানাবেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে? সৌগত বলছেন, তিনি আপাতত কোনও গুরুত্ব দিতে চাইছেন না কল্যাণকে। স্পষ্ট বলছেন, “কল্যাণের ব্যাপারে অভিযোগ জানিয়ে নিজেকে ছোট করতে চাই না। গুরুত্বই দিচ্ছি না।”