
কলকাতা: যোগেশ চন্দ্র চৌধুরি ল কলেজে সরস্বতী পুজোয় বাধা দেওয়ার অভিযোগকে ঘিরে রাজনীতির আঙিনায় পারদ ক্রমেই চড়ছে। অভিযোগের তীর শাসকদলের ছাত্রনেতার দিকে। তাতেই যেন আগুনে একেবারে ঘি পড়ে গিয়েছে। ছেড়ে কথা বলছে না পদ্ম শিবির। তরজা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। শুক্রবার এই ঘটনার প্রতিবাদে টালিগঞ্জে নবীনা সিনেমা হলের বিপরীতে বিক্ষোভ কর্মসূচিক ডাক দেওয়া হয়েছে। যদিও কুণাল ঘোষ বলছেন, “পুরোটাই হাস্যকর অভিযোগ।” ‘সত্যির’ খোঁজ করে তাঁর দাবি, কোনও টেকনিক্যাল কারণে সমস্যা হয়ে থাকতে পারে। এটা পুরোটাই কলেজের বিষয়।
কিন্তু, কুণাল যাই বলুন পদ্ম শিবিরের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি যে ছেড়ে কথা বলতে নারাজ তা তাঁদের বিবৃতিতেই স্পষ্ট। তাঁদের সাফ কথা, আইনের ছাত্রীকে ধর্ষণের হুমকি ও পুজো বন্ধ করার নিদান দিয়ে আরও একবার নিজেদের ছাত্রবিরোধী প্রমাণ করল তৃণমূল।
প্রসঙ্গত, পুজোয় বাধা দিয়ে ধর্ষণ ও প্রাণে মেরে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কলেজের তৃণমূলের ছাত্র নেতা সাব্বির আলির বিরুদ্ধে। চারু মার্কেট থানায় ইতিমধ্যেই লিখিত অভিযোগ করেছেন কলেজের পড়ুয়ারা। তবে সাব্বিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ যে নতুন এমনটা নয়। অনেকেই বলছেন, দাদাগিরির পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে ওই ‘নেতার’। ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কলেজের অধ্যক্ষ স্বয়ং। তাঁর সাফ কথা, “গত বছর কলেজে ঢুকতে গিয়ে আমায় হেনস্থা করা হয়েছে। আমার ৪০ বছরের শিক্ষকতার জীবনে এমন দেখিনি। এর মধ্যে রাজনীতি নেই। আছে অর্থনীতি। অর্থাৎ পয়সা খোলামকুচির মতো দাও। নয়ত ঝামেলা করবে।” যদিও এবিভিপি মনে করেছেন, দীর্ঘদিন রাজ্যের কলেজগুলিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়াতেই পরিস্থিতি আরও হাতের বাইরে যাচ্ছে।