
কলকাতা: বাংলার এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হয়েও শেষ হচ্ছে না, সংশয়ও কাটছে না কিছুতেই। একদিকে শুনানি চলাকালীন ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র চাপে জেরবার হয়ে গিয়েছিলেন সাধারণ মানুষ, আর এবার অ্যাডজুডিকেশন বা বিচারাধীন তালিকা। কেন এত লক্ষ লক্ষ নাম ওই তালিকায়, ওই তালিকার ভবিষ্যৎই বা কী, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে সংশয়। এবার সেই তালিকা নিয়ে বিশেষ বার্তা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।
সোশ্যাল মিডিয়ায় সিইও-র তরফে একটি পোস্ট করা হয়েছে। ভুল তথ্য ছড়িয়ে নির্বাচন কমিশনকে অসম্মান করা হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে সেখানে। লেখা, “বিচারাধীন (Adjudication) সমস্ত মামলা ERO-দের সিদ্ধান্ত না নেওয়ার কারণে হয়েছে, এমন কথা তাঁর দফতর থেকে কোথাও বলা হয়নি। তবে, নির্দিষ্ট সংখ্যক কিছু মামলা EROs ও AEROs-দের কাছে অমীমাংসিত থেকে যাওয়ায় সেগুলি বিচারের জন্য পাঠানো হয়েছিল, যা তথ্যগতভাবে যাচাই করা হচ্ছে।”
সেই সঙ্গে আরও বলা হয়েছে যে অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন যেন নির্বাচন কমিশনের (ECI) অধীনে থাকা আধিকারিকদের মুখপাত্র হিসেবে কাজ না করে। শোনা কথার ভিত্তিতে কোনও মন্তব্য করা এবং সাংবিধানিক সংস্থা বা সংবিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষকে অসম্মান করার চেষ্টা করলে গুরুতর পরিণতি হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে কমিশন। সরকারি কর্মচারীদের প্রযোজ্য আচরণবিধির ‘লক্ষ্মণ রেখা’র মধ্যে থেকে কাজ করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এই তালিকায় প্রায় ৬০ লক্ষ নাম রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেগুলি পুনর্যাচাই করছেন বিচারকরা। ভোটের দফার আগেই সংশ্লিষ্ট জায়গায় তালিকাগুলি প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
#FactCheck @ECISVEEP @SpokespersonECI @PIBKolkata @airnews_kolkata pic.twitter.com/bG7r76rzDV
— CEO West Bengal (@CEOWestBengal) March 1, 2026