
কলকাতা: ১০ জুলাইয়ের ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছে সরকার। এর আগে গত ৪ জুলাই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন রাজ্যের মুখ্য়সচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল। সেখানেই ঠিক হয়েছে ১০ জুলাইয়ের মধ্যে অন্নপূর্ণা যোজনার সমস্ত ভেরিকেশন শেষ করে ফেলা হবে। যাদের আবেদন বাতিল দেখাচ্ছে তাঁদের ক্ষেত্রেও যেমন রিচেক হবে, তেমনই অফলাইনের সমস্ত আবেদনই ডিজিটাইজ করার কাজও এই সময়সীমার মধ্যেই হবে। কিন্তু টাকা ঢুকবে কী ঢুকবে না তা নিয়েই এখন চলছে জোরদার চাপানউতোর। ফিল্ড ভেরিফিকেশন নিয়েও চলছে জোরদার চর্চা।
সূত্রের খবর, ১০ তারিখের মধ্যে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শেষ করার পর ১৫ তারিখের মধ্যে সমস্ত তথ্য আপলোড করা হবে। ২০ তারিখ নাগাদ ফের টাকা ঢোকার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যেতে পারে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকেই খবর আসছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভেরিফিকেশনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে এই প্রক্রিয়া পুরোটাই পঞ্চায়েত, পুরসভা স্তরে আলাদা আলাদা ভাগে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে পঞ্চায়েত অফিসে, বা কোনও স্কুলে ডাকছেন আধিকারিকরা। সেখানেই নির্দিষ্ট কিছু ডকুমেন্ট আনতে বলা হচ্ছে। যিনি প্রাপক তাঁর তথ্যই খুঁটিয়ে, একেবারে বিশদে দেখা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে আবার বাড়ি গিয়েও চলছে তথ্য খতিয়ে দেখার কাজ। কিন্তু সর্বত্র তা না হওয়াতেও রয়েছে উদ্বেগের আবহ।
সূত্র মারফত এও জানা যাচ্ছে, অনেক পুরসভা-পঞ্চায়েতেই ধীরে ধীরে যাচ্ছে ভেরিফিকেশনের তালিকা। ফলে অনেক জায়গাতেই এখনও পর্যন্ত কাজ শুরু হয়নি। তবে সিংহভাগ জায়গাতেই তা এসে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। আসা মাত্রই শুরু হয়ে যাচ্ছে কাজ। প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিককালে অন্নপূর্ণা যোজনার স্টেটাস চেক করতে গিয়ে দেখা যায় হাজার হাজার মহিলার ক্ষেত্রে আবেদন বাতিল হয়েছে দেখাচ্ছে। যদিও কিছু সময় পরে তা আন্ডার এনকোয়ারিতে চলে আসে। রাজ্যে নানা প্রান্তে পুরসভা, পঞ্চায়েতে বিক্ষোভও দেখাতে দেখা যায় মহিলাদের। তা নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যে জানা যায় এবার একেবারে ময়দানে নেমে চলবে ভেরফিকেশন।