
বিয়ের আগে চুটিয়ে প্রেম করেছেন। কিন্তু ওই যে এক ছাদের তলায় এসেই শুরু হয়েছে যত গন্ডগোল। আর তা থেকেই হয়ে চলেছে রোজকারের ঝামেলা। সঙ্গীর পাশে ঘুমিয়েও নানা কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটেই যায়। বহু দম্পতি প্রতিরাতে ঠিক মতো ঘুমতে পারে না। আর তার জন্যই দম্পতিরা একটি দুর্দান্ত এবং অনন্য পন্থা খুঁজে বের করেছেন। তা হল ‘স্লিপ ডিভোর্স’। ভাবছেন তো, সে আবার কী? অনেকে আবার হয়তো ‘স্লিপ ডিভোর্স’-এর মধ্যেই রয়েছে। যারা জানেন না তারা অবশ্য একক্ষণে ভ্রু কুঁচকে ফেলেছেন। স্লিপ ডিভোর্স মানে কিন্তু সঙ্গীকে পুরোপুরি ডিভোর্স দিয়ে দেওয়া নয়। তাহলে এ আবার কেমন ধরনের ডিভোর্স? সেটাই আজ দেখে নেওয়া যাক।
যখন কোনও দম্পতি একই ছাদের তলায় থেকেও একসঙ্গে শুতে যান না। বরং আলাদা ঘরের আলাদা বিছানায় ঘুমোন, তখন তাকে ‘স্লিপ ডিভোর্স’ বলা হয়। এই ডিভোর্স কিন্তু সব সময়ের জন্য নাও হতে পারে। কখনও কখনও কয়েকটা দিনের জন্যও হয়।
কিন্তু একই ছাদের তলায় থেকে কেন এমন সিদ্ধান্ত?
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিয়ের আগে দু’জনে দু’জনের বাড়িতে থাকে। কিন্তু যখনই তারা একই ছাদের তলায় আসে। তখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানিয়ে নিতে সমস্যা হয়। আসলে দম্পতি অথবা সঙ্গীর ঘুমের ধরন, অভ্যাস সব কিছুই আলাদা বলে মনে হয়। তার উপরে যদি থাকে নাক ডাকার সমস্যা, তাহলে তো আর কথাই নেই। ঘুমের বারোটা বাজবে। এই সব কিছু থেকে মুক্তি পেতেই এই পন্থা বেছে নিচ্ছেন দম্পতিরা। ফলে আলাদা ঘরে ঘুমলে যে সম্পর্ক ঠিক থাকবে না, তা কিন্তু একেবারেই নয়। আসলে দুই সঙ্গীর মধ্যে একজনের স্লিপ সাইকেল অন্যজনের সঙ্গে না মিললে, তাঁরা একে অপরকে এড়িয়ে চলতে শুরু করেন। আর তা যাতে না হয়, তাই জন্য এই স্লিপ ডিভোর্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে।