
মাছ, মাংস বা পনির, আগে থেকে ম্যারিনেট করে রাখলে রান্না চটজলদি হয়ে যায়। তাছাড়া যত ভাল করে বেশিক্ষণ করে ম্যারিনেট করে রাখবেন, মাছ-মাংস ততবেশি নরম হয়। এবং দ্রুত সেদ্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন রান্নার ক্ষেত্রে বিভিন্ন মশলা ব্যবহার করা হয় এবং ম্যারিনেশনের পদ্ধতিও আলাদা হয়। তবে, ম্যারিনেশন সাধারণত দু’ধরনের হয়। একটা ড্রাই আর একটা ওয়েট। ড্রাই ম্যারিনেশন করলে কোনও জলীয় পদার্থ ব্যবহার করা যায় না। গুঁড়ো মশলা, আদা-রসুনেরও গুঁড়ো ব্যবহার করে ড্রাই ম্যারিনেশন করতে হয়। অন্যদিকে, ওয়েট ম্যারিনেশনে আপনি দই, পেঁয়াজ ও আদা-রসুন বাটা দিয়ে ম্যারিনেট করতে পারবেন।
ম্যারিনেশনের সময় যে সব ভুল এড়িয়ে যাবেন-
ফ্রিজ থেকে মাছ, মাংস বের করে সরাসরি ম্যারিনেট করবেন না। ঘরের তাপমাত্রায় আসার পর ম্যারিনেট করবেন। তাজা মাছ, মাংস হলে প্রথমে ধুয়ে নিয়ে ভাল করে জল ঝরিয়ে নেবেন। দই দিয়ে ম্যারিনেট করলেও প্রথমে দইয়ের জল ঝরিয়ে নিয়ে ব্যবহার করবেন। হাত দিয়ে ম্যারিনেট করুন। এতে সমস্ত মশলা ও উপাদান একে অপরের সঙ্গে মিশে যাবে। মাংস ম্যারিনেট করার সময় তার গায়ে ছুরি দিয়ে চিড়ে দিন। এতে মশলা ভিতরে ঢুকবে ও মাংস ভাল সেদ্ধ হবে। রান্না করার রায় ৩-৪ ঘণ্টা আগে ম্যারিনেট করুন। ম্যারিনেশন করেই রান্না হয়ে যাবে, এমন ২টি পদের খোঁজ রইল আপনার জন্য। মটন ও চিকেনের দুই পদ উইকএন্ডে ট্রাই করতে পারেন।
বেসিন চিকেন ম্যারিনেট-
১ কাপ দই নিন। এর সঙ্গে এক চিমটে জাফরন, ১ চামচ কশুরি মেথি আর ১ চামচ করে আদা ও রসুনের রস নিন। সমস্ত উপাদান ভাল করে চিকেনের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। কয়েক ঘণ্টা এই অবস্থায় রেখে দিন। তারপর অল্প তেল দিয়ে মাংস ভেজে নিন।
মটন কাবাব ম্যারিনেট-
মটনের সঙ্গে কাঁচা পেঁপে বাটা, সর্ষের বীজ, লবঙ্গ, বড় এলাচ, জৈত্রী, ছোট এলাচ, আদা ও রসুন বাটা, পেঁয়াজ কুচি, এক মুঠো পুদিনা পাতা আর ধনে পাতা এবং কাঁচা লঙ্কা মিশিয়ে দিন। প্রথমে মটনের সঙ্গে পেঁপে বাটা মাখিয়ে নেবেন। তারপর বাকি উপকরণগুলো ভাল করে একে অপরের সঙ্গে মিশিয়ে দেবেন। এভাবে প্রায় ২ ঘণ্টা ম্যারিনেট করে রাখতে হবে। তারপর সিঁকে নিলেই তৈরি মটন কাবাব।