
পুজোর শপিং শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেকেরই নতুন জামা কেনা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ট্রায়াল রুমে গিয়ে যখন আয়নার সামনে দাঁড়াচ্ছেন, তখন কি পেটের মেদ (Belly Fat) দেখেই মনটা খারাপ হয়ে যাচ্ছে? ভাবছেন, আর তো মাত্র কয়েকটা দিন, এখন কি আর ভুঁড়ি কমানো সম্ভব? অবশ্যই সম্ভব! তবে এর জন্য না খেয়ে থাকার কোনও প্রয়োজন নেই। মনে রাখবেন, শুধু পেটের মেদ আলাদা করে কমানো যায় না। সারা শরীরের মেদ কমলে, তবেই পেটের মেদ ধীরে ধীরে কমে। আর এর জন্য চাই সঠিক ডায়েট আর একটু শরীরচর্চা। পুজোর আগে নিজেকে ফিট রাখতে আজ থেকেই এই ৭টি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন। পারবেন তো?
কী কী করবেন?
১. চিনিকে ‘না’ বলার চ্যালেঞ্জ:
আপনার কি চা বা কফিতে চিনি খাওয়ার অভ্যাস আছে? প্যাকেটজাত ফলের রস বা কোল্ড ড্রিঙ্কস খান? আজ থেকেই এগুলো বন্ধ করুন। মিষ্টি একেবারে ছাড়তে না পারলে, অন্তত পরিমাণ কমান।
২. প্রোটিন খাওয়ার চ্যালেঞ্জ:
ওজন কমাতে প্রোটিনের বিকল্প নেই। রোজকার খাবারে ডিম, ডাল, ছোলা, মাছ, মুরগির মাংস বা দই রাখুন। প্রোটিন খেলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে। ফলে বারবার উল্টোপাল্টা খাওয়ার ইচ্ছেটাও কমে যায়।
৩. মেপে ভাত খাওয়ার চ্যালেঞ্জ:
ভুঁড়ি কমাতে ভাত একেবারে ছাড়ার কোনও দরকার নেই। প্লেটে ভাতের পরিমাণ একটু কমিয়ে, তার সঙ্গে বেশি করে সবজি আর প্রোটিন রাখুন।
৪. হাঁটার চ্যালেঞ্জ:
জিমে যাওয়ার সময় পান না? কোনও ক্ষতি নেই। রোজ অন্তত ৩০ মিনিট একটু জোরে হাঁটার চেষ্টা করুন। একসঙ্গে সময় না পেলে সকালে ও বিকালে দু’ভাগ করে হাঁটুন।
৫. সহজ ব্যায়ামের চ্যালেঞ্জ:
শুধু হাঁটলেই হবে না, শরীরের পেশি সচল রাখাও জরুরি। সপ্তাহে অন্তত দু’দিন স্কোয়াট বা পুশ-আপের মতো খুব সহজ কিছু ব্যায়াম করতে পারেন।
৬. পর্যাপ্ত ঘুমের চ্যালেঞ্জ:
ওজন কমানোর সঙ্গে ঘুমের খুব গভীর সম্পর্ক আছে। ঘুম ঠিকমতো না হলে খিদে পায়। তাই রাত জেগে মোবাইল ঘাঁটার অভ্যাস কমিয়ে নিয়ম করে পর্যাপ্ত ঘুমান।
৭. ক্র্যাশ ডায়েট না করার চ্যালেঞ্জ:
পুজোর আগে মেদ কমানোর কোনও ম্যাজিকাল উপায় নেই। তাই ওজন কমাতে কখনও না খেয়ে থাকার চেষ্টা করবেন না। এতে আপনার শরীর ভেতর থেকে দুর্বল হয়ে যায়। তাহলে আর দেরি কেন? আজ থেকেই শুরু হোক পুজোর প্রস্তুতি।