
এক মাসের বিরতির পর ফের শুরু বিয়ের মরশুম। অঘ্রাণ মাস থেকেই শুরু হয়ে যায় বিয়ের ঘটা। হিন্দু মতে অঘ্রাণ খুবই শুভ মাস। পৌষ মাস মন মাস বলে এই মাসে কোনও শুভ কাজ হয় না। এরপর মাঘ থেকে আবার শুরু শুভ কাজ চলবে চৈত্র মাস পর্যন্ত। পৌষ মাসে শহরে তেমন শীত পড়েনি। বড়দিনেও এবার বেশ গরম ছিল শহরে। এমনকী ঠান্ডা, বরফের খোঁজে পর্যটকেরা ছুটে গিয়েছেন দার্জিলিং থেকে কাশ্মীর। তবে হতাশ হয়ে ফিরতে হয়েছে। পৌষের শেষদিন থেকেই আবার ঠান্ডা, কনকনে হাওয়া বইতে শুরু করেছে। শহর-শহরতলি জুড়ে বেশ ঠান্ডার অনুভূতি রয়েছে। পৌষের শেষেই ঠান্ডা তার মান রেখেছে। পৌষ পার্বণের পর্ব মিটেছে। আবার শুরু বিয়ের মরশুম। অঘ্রাণে অর্থাৎ নভেম্বর-ডিসেম্বরে তেমন ঠান্ডা ছিল না
এদিকে জানুয়ারিতে বেশ জাঁকিয়েই শীত পড়েছে। এই শীতে যেমনই পোশাক পরা হোক না কেন তার সঙ্গে শীতবস্ত্র কিছু তো একটা লাগবেই। নইলে ঠান্ডা লেগে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। কথায় বলে, মাঘের শীত বাঘের গায়। বিয়ে মানেই এখন প্রচুর অনুষ্ঠান। শুরু হয় সেই মেহেন্দি থেকে। এরপর আইবুড়োভাত, সঙ্গীত, আর্শীবদ, গায়েহলুদ একের পর এক অনুষ্ঠান লেগেই থাকে। সুন্দর জামা পরার পর তার উপর সোয়েটার বা চাদর চড়াতে কেউই চান না। এমনকী মাথা মাফলার দিয়ে মুড়ে তো আর বিয়েবাড়ি যাওয়া যায় না। এদিকে হাওয়া অফিস বলছে শীতের দাপটও থাকবে। এই পরিস্থিতিতে কী ভাবে স্টাইল করবেন আপনি? রইল তারই কিছু প্রয়োজনীয় টিপস।
অনেকেই লং কোটের সঙ্গে দারুণ ভাবে শাড়ি ড্রেপ করেন। আবার হাইনেক ব্ল্যাক টি-শার্টের সঙ্গে শাড়ি পরলেও দেখতে বেশ ভাল লাগে। শাড়ি ছাড়াও অনেকেই ফুল স্লিভ সালোয়ার, শারারা এসব পরেন। এমন পোশাকে ঠান্ডা লাগার সম্ভাবনা কম। বিয়েবাড়ি মানেই একসঙ্গে উত্তেজনা আর আনন্দ কাজ কপে। এই আনন্দের চোটে আর শীতের অনুভূতি থাকে না। কিছু এমন শাড়ি আছে যা পরলে আপনার একেবারেই ঠান্ডা লাগবে না। আর এই তালিকায় প্রথমেই আছে বেনারসি। বেনারসি শাড়ি এখন অনেক রকম পাওয়া যায়। এই শাড়ি এমনিতেই বেশ মোটা হয়। আর বেনারসি শাড়ি ড্রেপ করলে ঠান্ডা লাগে না মোটেই। পচমপল্লী, পৈঠানি, পশমিনা সিল্ক এসব শাড়িও বেশ মোটা। এমন শাড়িতে সুন্দর স্টাইল করা যায় আর দেখতেও লাগে ভাল। সামনেই বিয়েবাড়ি? এমন শাড়িই বাছতে পারেন এদিনের অনুষ্ঠানের জন্য।