
অতিরিক্ত ক্যালোরি: চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খেলে শরীরে অজান্তেই প্রচুর ক্যালোরি প্রবেশ করে। বিস্কুটে থাকা চিনি এবং ময়দা রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দিতে পারে।

ক্ষতিকর রিফাইনড ফ্লাওয়ার বা ময়দা: অধিকাংশ বিস্কুট ময়দা দিয়ে তৈরি। ময়দায় ফাইবার না থাকায় এটি হজমের সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে।

চিনির আধিক্য: বিস্কুটে প্রচুর পরিমাণে রিফাইনড সুগার থাকে। চায়ের চিনির সাথে বিস্কুটের চিনি যুক্ত হয়ে ওজন বৃদ্ধি এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।

ট্রান্স ফ্যাট ও পাম অয়েল: বিস্কুট মচমচে করতে এতে ট্রান্স ফ্যাট বা পাম অয়েল ব্যবহার করা হয়। এটি শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের (LDL) মাত্রা বাড়ায়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি তৈরি করে।

যদি বিস্কুট খেতেই হয়, তবে ময়দার বদলে ওটস বা মাল্টিগ্রেন বিস্কুট বেছে নিন। সবচেয়ে ভালো হয় যদি বিস্কুটের বদলে চায়ের সঙ্গে অল্প ভেজানো বাদাম বা মাখানা খেতে পারেন।

অ্যাসিডিটির সমস্যা: খালি পেটে চায়ের সাথে বিস্কুট খেলে পাকস্থলীতে অ্যাসিডের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। এর ফলে বুক জ্বালাপোড়া বা গ্যাসের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

পুষ্টিগুণ কম: বিস্কুট মূলত একটি প্রক্রিয়াজাত খাবার, যাতে পুষ্টিগুণ নেই বললেই চলে। এটি পেট ভরিয়ে দিলেও শরীরকে কোনো প্রয়োজনীয় ভিটামিন বা মিনারেল সরবরাহ করে না।