দাঁত দিয়ে নখ কাটছেন? অজান্তেই ডেকে আনছেন চরম বিপর্যয়! কী বলছে জ্যোতিষ শাস্ত্র?
জ্যোতিষ শাস্ত্রের দৃষ্টিভঙ্গি কিন্তু আরও অনেক বেশি মারাত্মক। জ্যোতিষীদের মতে, অবহেলা বা অভ্যাসের বশে করা এই একটিমাত্র কাজ আপনার জীবনে বয়ে আনতে পারে চরম অর্থনৈতিক সংকট ও মানসিক অশান্তি। আসুন জেনে নেওয়া যাক, জ্যোতিষ চর্চার আদলে দাঁত দিয়ে নখ কাটার ফলে আপনার জীবনে কী কী নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

কাজের ফাঁকে, দুশ্চিন্তায় কিংবা স্রেফ অভ্যাসবশত দাঁত দিয়ে নখ কাটার স্বভাব অনেকেরই রয়েছে। চিকিৎসা বিজ্ঞান একে অস্বাস্থ্যকর এবং ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণের কারণ বললেও, জ্যোতিষ শাস্ত্রের দৃষ্টিভঙ্গি কিন্তু আরও অনেক বেশি মারাত্মক। জ্যোতিষীদের মতে, অবহেলা বা অভ্যাসের বশে করা এই একটিমাত্র কাজ আপনার জীবনে বয়ে আনতে পারে চরম অর্থনৈতিক সংকট ও মানসিক অশান্তি। আসুন জেনে নেওয়া যাক, জ্যোতিষ চর্চার আদলে দাঁত দিয়ে নখ কাটার ফলে আপনার জীবনে কী কী নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
সনাতন ধর্মে নখ ও চুলকে শরীরের বর্জ্য বা মৃত অংশ হিসেবে ধরা হয়। জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী, দাঁত দিয়ে নখ কাটলে ঘরে নেতিবাচক শক্তির সঞ্চার হয়। এর ফলে দেবী লক্ষ্মী অত্যন্ত রুষ্ট হন। ফলস্বরূপ, কঠোর পরিশ্রম করলেও উপার্জিত অর্থ জলের মতো বেরিয়ে যায় এবং ব্যক্তি ক্রমশ ঋণের জালে জড়িয়ে পড়ে।
হস্তরেখা ও জ্যোতিষ বিজ্ঞান অনুযায়ী, নখের সাথে শনি গ্রহের গভীর সংযোগ রয়েছে। আবার দাঁতের ওপর আধিপত্য রয়েছে সূর্য দেবের। যখনই কেউ দাঁত দিয়ে নখ কাটে, তখন জ্যোতিষ মতে সূর্য ও শনির মধ্যে এক মারাত্মক সংঘাত তৈরি হয়। সূর্য দুর্বল হওয়ার কারণে কর্মক্ষেত্রে বা সমাজে অযথা অপযশ, মান-হানি এবং পিতার সাথে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। শনিদেব কুপিত হলে ভাগ্যের সহায় কমে যায় এবং যেকোনো শুভ কাজে বারবার বাধা আসতে শুরু করে।
যাঁরা ঘনঘন নখ কামড়ান, তাঁদের কোষ্ঠীতে বুধ এবং রাহু গ্রহের অবস্থান দুর্বল হতে থাকে। বুধ হল বুদ্ধি ও বাণীর কারক গ্রহ। নখ কাটার এই কুপ্রভাবের কারণে মানুষের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমে যায় এবং ব্যবসায় চরম ক্ষতি হতে পারে। পাশাপাশি, রাহু সক্রিয় হয়ে ওঠার ফলে মনে এক অদ্ভুত ও কাল্পনিক ভয়ের সৃষ্টি হয়।
শাস্ত্র বলছে, যাঁরা সারাক্ষণ নখ কামড়ান, তাঁদের মন কখনও শান্ত থাকে না। এটি মূলত দুর্বল মানসিকতা এবং আত্মবিশ্বাসের অভাবকে নির্দেশ করে। গ্রহের এই প্রতিকূলতার কারণে ব্যক্তি সবসময় এক অজানা মানসিক চাপ, অবসাদ এবং খিটখিটে মেজাজে ভোগেন, যা তাঁর পারিবারিক জীবনেও অশান্তি ডেকে আনে।
