Mahashivratri 2025: এই খিচুড়ি খেয়েই ভাঙুন শিবের উপবাস, আশীর্বাদে ভরাবেন মহাদেব
মা-ঠাকুরমারা বলতেন, এদিন উপবাস ভাঙতে হয় বিশেষ খিচুড়ি খেয়ে, যা খেলেই মহাদেবের আশীর্বাদ পাওয়া যাবে। তা কী এই বিশেষ খিচুড়ি?

শিবরাত্রি নিয়ে নানারকম রীতি-নীতির প্রচলন রয়েছে। মনে করা হয়, গোটা দিন ধরে উপবাস করে রাতে শিবলিঙ্গে জল ঢেলে উপোস ভাঙেন ভক্তরা। এমনকী, কথিত রয়েছে, এদিন রাতে ভক্তকে ঘুমোতে নেই। কারণ, ভক্তের আরাধনায় তুষ্ট হয়ে, শিব নাকি ঘুমন্ত ভক্তদের পা টিপে কষ্ট লাগব করেন। ভক্তকে আরাম দেন। মহাদেব আপনার পায়ে হাতে দেবেন! এ তো অনাচার। সেই কারণেই শিবরাত্রিতে সারারাত জেগে থাকেন ভক্তরা। সেই কারণেই সারারাত জুড়ে নয় সিনেমা দেখা, নয় পাড়ার মোড়ে অনুষ্ঠান। গোটা রাত ধরেই শিবের বন্দনা গোটা দেশে। তবে এই চলে আসা গল্পের সঙ্গে জুড়েছে আরেক গল্প। সেটা হল উপবাস ভাঙার গল্প। মা-ঠাকুরমারা বলতেন, এদিন উপবাস ভাঙতে হয় বিশেষ খিচুড়ি খেয়ে, যা খেলেই মহাদেবের আশীর্বাদ পাওয়া যাবে। তা কী এই বিশেষ খিচুড়ি? উপবাস ভাঙতে সাবুর খিচুড়িই বানিয়ে ফেলুন। যা স্বাস্থ্যের পক্ষেও বেশ ভালো। আর সারাদিন উপোস থাকার পর এই খিচুড়ি আপনাকে সুস্থও রাখবে।
২ কাপ সাবুদানা, ২ টো গাজর, ১ টা আলু সেদ্ধ ছোটো করে কাটা, ২ থেকে ৩ টে কাঁচালঙ্কা, ২ টো টম্যাটো কুচনো, ১ টেবিল চামচ ভাজা বাদাম, ২ টেবিল চামচ কারিপাতা, ১ চামচ গোটা জিরে, ১ চা চামচ আদা কুচি, স্বাদ অনুযায়ী সন্দক নুন, ২ টেবিল চামচ তেল বা ঘি, ১ চা চামচ লেবুর রস, ৩ চামচ হলুদ গুঁড়ো।
সাবুদানাগুলো ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে, যাতে স্টার্চ না থাকে। এবার সাবুদানা জলে ভিজিয়ে ২-৩ ঘণ্টা রাখতে হবে। সাবু ফুলে দ্বিগুন হয়ে যাবে। এরপর সাবুদানা জল ঝরিয়ে রাখতে হবে। আলু সেদ্ধ করে কেটে নিতে হবে। শুকনো খোলায় ভাজা বাদাম আধভাঙা করে নিতে হবে। গাজর ছোট টুকরো করে কাটতে হবে। আদা কুচোতে হবে। টম্যাটো সরু ফালি করে কাটতে হবে। বাদাম ভাঙা সাবুর সঙ্গে মিশিয়ে রাখতে হবে। এবার একটি পাত্রে ঘি বা তেল গরম হলে জিরে ফোড়ন দিতে হবে। ভাজা গন্ধ বেরলে কারিপাতা, দিয়ে নেড়ে চেড়ে গাজর কুচি দিয়ে ভাজতে হবে। এই সময় আন্দাজমতো নুন দিতে হবে। টম্য়াটো ও কাঁচালঙ্কা দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজতে হবে। এরপর একটু চিনি দিন। এবার সাবুদানা দিয়ে হালকা হাতে নাড়তে হবে। সাবুদানা স্বচ্ছ হলে বুঝতে হবে রান্না শেষ। এরপর ওভেন বন্ধ করে, সাবুদানার মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে নিলেই হল। এবার ইচ্ছে হলে ওপর দিয়ে ধনে পাতা কুচি, নারকেল কোরা দেওয়া যেতে পারে।
