
যাঁরা উইন্ডোজ কম্পিউটার ব্যবহার করেন, তাঁদের কাছে সিস্টেম বন্ধ করার উপায় হল শাটডাউন (Shutdown)। আর যদি মেশিন অফ করে আবার অন করতে চান, তাহল রিস্টার্ট (Restart) করার প্রয়োজন পড়ে। দুটি প্রক্রিয়া দেখতে একই রকম মনে হলেও, উইন্ডোজ ৮ ও তার পরবর্তী সংস্করণগুলোতে (উইন্ডোজ ১০ বা ১১) এই দুটি ক্ষেত্রে অনেক বড় ফারাক রয়েছে।
নতুন উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ‘ফাস্ট স্টার্টআপ’ নামের একটি বিশেষ ফিচার থাকে, যা কম্পিউটার দ্রুত চালু করতে সাহায্য করে। আপনি যখন কম্পিউটার শাটডাউন করেন, তখন আপনার খোলা রাখা সমস্ত প্রোগ্রাম এবং ফাইল বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ অর্থাৎ উইন্ডোজ কার্নেল পুরোপুরি বন্ধ হয় না।
কার্নেলটি বন্ধ না হয়ে একটি হাইবারনেশন ফাইলের মতো ডিস্কে সেভ বা সংরক্ষিত হয়ে থাকে। ফলে পরবর্তীতে যখন আপনি কম্পিউটারটি অন করেন, তখন উইন্ডোজকে নতুন করে সবকিছু লোড করতে হয় না। ফলে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ খুব দ্রুত চালু হয়।
রিস্টার্ট অপশনে ক্লিক করলে উইন্ডোজ কম্পিউটারের চলমান সব ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস, ফাইল, অ্যাপের পাশাপাশি উইন্ডোজ কার্নেলও সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। কম্পিউটারটি পুনরায় চালু হওয়ার সময় একদম নতুন ও পরিষ্কারভাবে বুট হয়। যেহেতু কার্নেলসহ সবকিছু নতুন করে লোড হয়, তাই রিস্টার্ট নেওয়ার পর কম্পিউটার অন হতে শাটডাউনের চেয়ে সামান্য বেশি সময় নেয়।
দিনের সব কাজ শেষে পিসি পুরোপুরি বন্ধ করে রাখতে চাইলে এবং পরবর্তীতে দ্রুত কাজ শুরু করার প্রয়োজন হলে শাটডাউন করবেন। আর নতুন কোনও সফ্টওয়্যার বা সিস্টেম আপডেট ইনস্টল করতে হলে রিস্টার্ট করতে হবে। কম্পিউটারে কোনও টেকনিক্যাল সমস্যা হলে, স্লো হয়ে গেলে, এরর দেখালে রিস্টার্ট করতে হয়।