
বাজার থেকে চিংড়ি কেনার সময় অনেকেই এর গন্ধ বা সতেজতা যাচাই করেন না। চিংড়ির গায়ে যদি তীব্র অ্যামোনিয়ার গন্ধ থাকে বা খোসা পিচ্ছিল ও নরম হয়ে যায়, তবে তা কেনা থেকে বিরত থাকুন। (Photo: CANVA)
চিংড়ির পিঠের দিকে থাকা কালো সুতোর মতো অংশটি ময়লা ও ব্যাকটেরিয়াযুক্ত থাকে। এটি পরিষ্কার না করেই রান্না করলে স্বাদের তো বটেই, স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি হতে পারে। (Photo: CANVA)
চিংড়ি খুব দ্রুত সেদ্ধ হয়ে যায়। অতিরিক্ত সময় ধরে বা কড়াইতে বেশিক্ষণ রান্না করলে এটি রাবারের মতো শক্ত ও চিবোতে কঠিন হয়ে যায়। তাই পরিমিত আঁচে অল্প সময় রান্না করুন। (Photo: CANVA)
ডিপ ফ্রিজ থেকে নামিয়ে সঙ্গে সঙ্গে গরম কড়াইতে বা জলে চিংড়ি দেবেন না। ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় বা ঠান্ডা জলের নিচে রেখে ধীরে ধীরে বরফ গলালে চিংড়ির টেক্সচার ও আসল স্বাদ বজায় থাকে। (Photo: CANVA)
চিংড়ির নিজস্ব একটা হালকা মিষ্টি ও সামুদ্রিক স্বাদ থাকে। অতিরিক্ত কড়া মশলা বা দীর্ঘ সময় ধরে লেবুর রসে মেরিনেট করে রাখলে চিংড়ির নিজস্ব স্বাদ নষ্ট হয়ে যায় এবং মাংস নরম হয়ে গলে যেতে পারে। (Photo: CANVA)
রান্নার সময় অনেকেই চিংড়ির লেজটি কেটে বাদ দেন। কিন্তু চিংড়ির লেজে থাকা ফ্লেভার এবং প্রাকৃতিক জুস গ্রেভি বা রান্নার স্বাদ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই লেজ সমেত রান্না করলে খাবারে আলাদা স্বাদ পাওয়া যায়। (Photo: CANVA)