
৭২ ঘণ্টায় ১৫টি মিটিং। সাফল্যের সঙ্গে মিটল ব্রিকস সামিট। নয়া দিল্লির ভারত মণ্ডপমে ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর- দুইদিনের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল ব্রিকস সামিটের। কেমন হল সেই ব্রিকস সামিট?
রবিবার ব্রিকস সামিট শেষ হয় নয়া দিল্লি ঘোষণাপত্র ২০২৬ দিয়ে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক ঝলক শেয়ার করলেন ব্রিকস সামিটের, যেখানে ধরা পড়ল নানা অদেখা ছবি।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন থেকে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং- সকলকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী মোদী। মিশর থেকে মালয়শিয়া, ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি।
ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদীর কথা সকলের জানা। সেই বন্ধুত্ব আবারও দেখা গিয়েছে ব্রিকসের মঞ্চে। একসঙ্গে পুতিনের গাড়িতে চেপেই প্রথমদিন ভারত মণ্ডপমে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
ব্রিকস সামিট শুরুর আগে তাঁরা দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করেন। শিল্প, বাণিজ্য থেকে বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, দুই দেশের সম্পর্ক- নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
অন্যদিকে, ব্রিকসের আমন্ত্রণ পেয়ে দীর্ঘ সাত বছর পর ভারতে এসেছিলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করেছেন তিনি।
ব্রিকসের আলোচনার ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী মোদী, শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনকে একসঙ্গে হাসি-মজা করতেও দেখা যায়।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেসকিয়ানের সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নিয়ে কথা হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন যে আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমেই এই সঙ্কট মেটাতে হবে। নাবিকদের সুরক্ষার বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।
ব্রিকস সামিটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১৫টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
আলাপচারিতায় সদস্য দেশগুলির মধ্যে যেমন সম্পর্ক মজবুত হয়েছে, তেমনই নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনাও হয়েছে।
ব্রিকস সামিটকে সফল ও ফলপ্রসূ বলেই উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
সকল রাষ্ট্রনেতাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন এই সামিটকে সফল করার জন্য।