
ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর ফুটবল জগতে প্রবেশ তাঁর দেশের স্পোর্টিং লিসবন ক্লাবে। ছেলেবেলা থেকে খেলেন। সেখানে বি টিমেও সুযোগ পান ক্রিশ্চিয়ানো। (ছবি : টুইটার)

২০০২-২০০৩ মরসুমে স্পোর্টিং লিসবনের সিনিয়র টিমে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। সিনিয়র টিমে ৩১টি ম্যাচ খেলেছিলেন। করেছেন পাঁচটি গোল। এর পর পাড়ি দেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডে। (ছবি : টুইটার)

ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে একটি প্রীতি ম্যাচে অনবদ্য পারফরম্যান্স ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর। নজরে পড়েন তৎকালীন ম্যান ইউ কোচ স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের। ডেভিড বেকহ্য়াম কেরিয়ারের শেষ লগ্নে। তাঁর প্রিয় ৭ নম্বর জার্সির ভবিষ্যৎ তারকা হিসেবে সই করানো হয় ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে। (ছবি : টুইটার)

ম্য়াঞ্চেস্টার ইউনাইটেডে ফার্গুসন-রোনাল্ডো অধ্যায় সমর্থকদের জন্য স্মরণীয়। প্রথম পর্বে ছয় মরসুম ছিলেন রোনাল্ডো। ২৯২ ম্যাচে করেছিলেন ১১৮ গোল। তিন বার প্রিমিয়ার লিগ এবং এক বার করে এফ এ কাপ ও চ্য়াম্পিয়ন্স লিগ জেতে ম্য়াঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। (ছবি : টুইটার)

ম্য়ান ইউ থেকে ২০০৯ সালে সে সময়কার রেকর্ড অর্থে রিয়াল মাদ্রিদে সই করেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। রিয়াল মাদ্রিদ জার্সিতে ৪৩৮ ম্যাচে ৪৫০ গোল! রিয়ালের ইতিহাসে অন্যতম সেরার তকমা জোটে রোনাল্ডোর। (ছবি : টুইটার)

রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে চারটি চ্য়াম্পিয়ন্স লিগ, দু-বার লা লিগা, তিন বার ক্লাব বিশ্বকাপ, দু-বার কোপা ডেল রে জেতেন। ব্য়ক্তিগত ভাবেও নজির রয়েছে। রিয়ালে থাকাকালীন চার বার ব্য়ালন ডি'অর ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর হাতে। লিও মেসি বনাম ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো লড়াই স্প্য়ানিশ লিগকে চর্চায় রেখেছিল। (ছবি : টুইটার)

স্প্য়ানিশ ফুটবলে বড় ধাক্কা রোনাল্ডোর ঘোষণা। ২০১৭-১৮ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের পর রোনাল্ডো ঘোষণা করেন, স্প্য়ানিশ ফুটবলে ইতি, এ বার ইতালিতে যাচ্ছেন তিনি। (ছবি : টুইটার)

ইতালির ক্লাব জুভেন্টাসে সই করেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। প্রথম মরসুমেই ২১ গোল। জুভেন্টাসে সবমিলিয়ে ১৩৪ ম্যাচে ১০১ গোল, দু-বার সিরি আ, এক বার কোপা ইতালিয়া এবং এক বার ইতালির সুপার কাপ জেতেন রোনাল্ডো। (ছবি : টুইটার)

ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড সমর্থকদের উচ্ছ্বাস দ্বিগুণ হয়েছিল ২০২১ মরসুমে। ম্য়াঞ্চেস্টার ইউনাইটেডে প্রত্যাবর্তন হয় ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর। সমর্থকরা সোনালি সময়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। দ্বিতীয় পর্বের প্রথম মরসুমে ৪০ ম্যাচে ১৯ গোল ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর। (ছবি : টুইটার)

ম্য়ান ইউয়ে দ্বিতীয় পর্ব সাফল্যের অধিক বিতর্কে কেটেছে। কোচ এবং ক্লাবের সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। পিয়ের্স মর্গ্যানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্লাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন, তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। ফলস্বরূপ বিশ্বকাপের মাঝেই ম্যান ইউ এবং রোনাল্ডোর বিচ্ছেদ। (ছবি : টুইটার)