
তীব্র গরমে শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে সবচেয়ে উপাদেয় খাদ্য হল লেবুর জল, নারকেলের জল, দই, তরমুজ, আমের জুস, পান্তা ভাত, ছাতুর শরবত... আরও অনেক কিছু। তবে সবথেকে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর হল টক দই। গরমকালে শরীরকে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখতে, হাইড্রেশন রুখতে, পেট ঠাণ্ডা রাখতে ও হজমশক্তিকে মজবুত করতে টক দই খাওয়া উচিত।

এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম, তাই গরমকালে শরীর ও মনকে ঠাণ্ডা রাখতে হাড়কেও মজবুত রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া গরমের সময় দই খেতে পছন্দ করেন অনেকেই।

অনেকে টক দই খেতে পারেন না, বাটার মিল্ক ও লস্যিও পান করা স্বাস্থ্যকর। দোকানের থেকে টক দই কেনার পাশাপাশি অনেকেই বাড়িতেই পাতেন টক দই। মে মাসে অতিরিক্ত গরম পড়ায় বাজার থেকে টক দই প্রায় উধাও গিয়েছে। জুনেও পড়বে গরমের মাত্রা। ফলে বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারেন দোকানের মতোন টক দই।

প্রচণ্ড গরমে শরীর ও মন ঠান্ডা করতে টক দইয়ের জুড়ি নেই। আর এই টক দই দিয়েই ঘোল, লস্যি থেকে বানিয়ে নেওয়া যায় জিভে জল আনা স্ন্যাক্স

দই যাতে টক না হয়, তার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি ব্যবহার করে দেখতে পারেন। দুধে সাজা বা দই যোগ করার আগে, ছোট বাটিতে অল্প দুধ ও সাজা নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। দুধে দই যোগ করার সময়, আঁচ কমিয়ে বা বন্ধ করে দেওয়া উচিত। এরপর দই না হওয়া পর্যন্ত দুধ ফেটিয়ে নিতে হবে।

যদি দিনের বেলা দই তৈরি করেন, তাহলে তা কখনও করবেন না। সবসময় রাতে দই বানিয়ে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। তাপমাত্রা কম হলে টক দই পাতা যাবে না। দই পাতা হয়ে গেলে কখনও বার বার দইয়ের পাত্র খুলে দেখবেন না।

তাই দিনের বেলায় দই পাতবেন নাএকেবারেই। সেই কারণে দই ঠিক করে জমাট বাধে না। সারারাত জমাট বাধার পর সকালে কয়েক ঘণ্টার জন্য ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন।

যদি চান বাড়িতে সেট করার সময় স্বাদে টক না হয় তার জন্য দুধের উপর থেকে সড়টি তুলে নিতে হবে। তাতে টক ভাব কমে যায়। সুতির বা মসলিনের কাপড়ে টক দই সারারাত রেখে একটি চালুনিতে ছেঁকে রাখতে পারেন। তাতে অ্যাসিডিটি কমাতেও সাহায্য করে। দইয়ে থাকা দুধের ঘনত্ব বেড়ে গিলে জমাট ও ঘন হয়ে যায়।

গরম জায়গায় দই রেখে দিলে দই দ্রুত টক হতে শুরু করবে। দই সবসময় ঘরের তাপমাত্রার চেয়ে সামান্য ঠান্ডা জায়গায় বা ফ্রিজে রাখা উচিত। দইয়ের পাত্র মাটির পাত্রের ভিতর বা এসি বা কুলারের ঘরেও রাখতে পারেন।