
শীতকালে ভারী বা চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। প্রতিদিন পাতে সামান্য দই রাখলে এর মধ্যে থাকা প্রোবায়োটিক বা ভালো ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং হজমশক্তি উন্নত করতে দারুণ সাহায্য করে। Photo: Freepik
দইতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) শক্তিশালী করে। শীতে সর্দি-কাশি ও ভাইরাল ইনফেকশনের হাত থেকে রক্ষা পেতে এটি বেশ উপকারী। Photo: Freepik
দই ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের একটি দুর্দান্ত উৎস। শীতের দিনে নিয়মিত দই খেলে হাড়ের ঘনত্ব ঠিক থাকে এবং হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত হয়। Photo: Freepik
আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে, শীতকালে অতিরিক্ত ঠান্ডা বা ফ্রিজে রাখা দই রাতে খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো। কারণ এর ঠান্ডা টাস্ক বা শীতল প্রকৃতির কারণে সর্দি-কাশি বা সাইনাসের সমস্যা বাড়তে পারে। Photo: Freepik
শীতের মরশুমে দই খাওয়ার সবচেয়ে ভালো সময় হলো দুপুরবেলা। তবে ঠান্ডা দই সরাসরি না খেয়ে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এনে কিংবা এর সাথে সামান্য গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে বেশি উপযোগী। Photo: Freepik
শীতে ত্বকের আর্দ্রতা হারিয়ে ত্বক শুষ্ক ও মলিন হয়ে যায়। দইয়ের মধ্যে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের মৃত কোষ দূর করে এবং ভিতর থেকে ত্বককে সতেজ ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। Photo: Freepik