
ডিটক্স ওয়াটারে আস্থা রাখছেন অনেকেই: সুস্থ থাকতে কেবল জল নয়, ডিটক্স ওয়াটারের উপর ভরসা রাখেন এখন অনেক মানুষই। বিশেষ করে এই পানীয় খেলে আমাদের শরীর থেকে টক্সিন বেরিয়ে যায় সহজেই। তাই তো এমন পানীয়ে ভরসা রাখছেন স্বাস্থ্য সচেতনরা।

মেদ ঝরাতেও ম্যাজিক: যাঁরা মেদ ঝরাতে চাইছেন, তাঁদের জন্যও এই পানীয় সেরা। এ ছাড়া হজমশক্তি বাড়িয়ে তুলতে ও কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ের জন্য এমন পানীয় খাওয়া ভালো।

কোন পানীয় কোন কাজে আসে: ডিটক্স বা ইনফিউজড ওয়াটার পানীয় তো বিভিন্ন ধরনের হয়। তবে, গলা-বুক জ্বালা করলে কোন পানীয়ে আস্থা রাখবেন, বা ফ্যাটি লিভারের জন্য কোন পানীয় খাবেন তা জানা আছে কি? উত্তর না হলে অবশ্যই পড়ুন এই প্রতিবেদন...

রইল বদহজমের সমাধান: তেলমশলা জাতীয় খাবার খেয়ে গলা জ্বালা বা চোঁয়া ঢেকুর উঠলে এক গ্লাস জলে শুক্নো খোলায় ভাজা জোয়ান মিশিয়ে দিন। দেখবেন আর অ্যান্টাসিডে ভরসা রাখতে হবে না।

কোষ্ঠকাঠিন্যে ভরসা হোক এই পানীয়: রাতে কয়েকটা কিশমিশ ভিজিয়ে রেখে দিন। সকালে উঠে সেই জল খেয়ে নিন। ম্যাজিকের মতো কাজ হবে একথা হলফ করে বলা যায়।

ফ্যাটি লিভারের স্থায়ী সমাধান: বহু দিন ধরেই ফ্যাটি লিভারে ভুগলে ওষুধের পাশাপাশি মোরিঙ্গা গুঁড়ো খেয়ে দেখতে পারেন। ঈষদুষ্ণ জলে এই গুঁড়ো মিশিয়ে খালি পেটে খেয়ে নিন। দেখবেন সুস্থ থাকবেন।

ডায়াবিটিসে ভরসা রাখুন এতে: একগ্লাস জলে এক টুকরো দারচিনি ভিজিয়ে রেখে দিন। পরের দিন সকালে উঠে খেয়ে নিন। এতে ইনসুলিন ক্ষরণ স্বাভাবিক হবে সহজেই।

পিরিয়ডে কষ্ট পেলে: ঈষদুষ্ণ জলে মাত্র এক চিমটি কেশর ভিজিয়ে রেখে দিন। কিছু ক্ষণ পর সেই জল খেয়ে নিন। দেখবেন, ব্যথা ভ্যানিশ হবে কিছুক্ষণের মধ্যে।

প্রি-ডায়াবিটিস হয়েছে?: রক্তে শর্করা বেশি নেই তবে বাড়তির দিকে-এমনটা হলে মিষ্টি খাবার বর্জনের পাশাপাশি ঈষদুষ্ণ জলে সামান্য পরিমাণে ঘি খান। উপকার মিলবে।