
তীব্র ব্যথায় বা ফোলা কমাতে দিনে ২-৩ বার ১৫ মিনিটের জন্য বরফ দিতে পারেন। আর দীর্ঘদিনের পুরনো ব্যথা বা পেশির জড়তা কাটাতে গরম জলের সেঁক বেশ আরামদায়ক।

আদার প্রদাহবিরোধী গুণ (Anti-inflammatory) হাঁটুর ব্যথা কমাতে দারুণ কাজ করে। চা বা গরম জলের সাথে আদা মিশিয়ে খেলে বা আদার রস মালিশ করলে দ্রুত ফল পাওয়া যায়।

হলুদে থাকা 'কারকিউমিন' প্রাকৃতিক ব্যথানাশক হিসেবে পরিচিত। রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস ইষদুষ্ণ দুধের সাথে সামান্য হলুদ মিশিয়ে খেলে হাঁটুর ক্ষয় ও ব্যথা কমে।

এক গ্লাস জলে দুই চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে খেলে তা হাঁটুর লুব্রিকেন্ট বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং জয়েন্টের টক্সিন দূর করে।

হালকা গরম সরষের তেল বা তিলের তেলের সাথে রসুন গরম করে হাঁটুতে আলতোভাবে মালিশ করুন। এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং ব্যথার উপশম হয়।

মেথি দানা সারা রাত ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই জল খেলে এবং মেথি চিবিয়ে খেলে বাতের ব্যথা বা জয়েন্টের ব্যথায় দীর্ঘমেয়াদী উপকার পাওয়া যায়।

ব্যথার সময় খুব বেশি পরিশ্রম না করলেও, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে হালকা স্ট্রেচিং বা ইয়োগা করুন। এতে হাঁটুর পেশি সচল ও শক্তিশালী থাকে।

শরীরের অতিরিক্ত ওজন হাঁটুর ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। তাই স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা হাঁটু ব্যথার অন্যতম প্রধান সমাধান।