
জাপানি সংস্থা হোন্ডা ২০২৮ সাল থেকে ভারতের বাজারের জন্য বিশেষ মডেল আনা শুরু করবে। গ্লোবাল সিইও তোশিহিরো মিবে জানিয়েছেন, উত্তর আমেরিকা ও জাপানের পাশাপাশি ভারতকেও তারা এখন থেকে ভবিষ্যতের বৃদ্ধির জন্য অন্যতম অগ্রাধিকার দেওয়া বাজার হিসেবে দেখবে। (Credit - Getty Images)

ভারতে হোন্ডা বছরে ৬০ লক্ষ মোটরসাইকেল বিক্রি করে। এই বিশাল গ্রাহক সংখ্যাকে কাজে লাগিয়ে সংস্থা চাইছে গ্রাহকদের টু-হুইলার থেকে ফোর-হুইলার গাড়ি কিনতে আগ্রহী করতে। মোটরসাইকেল ব্যবসার এই শক্ত ভীত হবে হোন্ডার গাড়ি ব্যবসার পুনর্গঠনের হাতিয়ার। (Credit - Getty Images)

ভারত হোন্ডার মোটরসাইকেল ব্যবসার বৃহত্তম বাজার। বর্তমানের বার্ষিক ৬২.৫ লক্ষ ইউনিট উৎপাদন ক্ষমতাকে আরও বাড়িয়ে ২০২৮ সালের মধ্যে ৮০ লক্ষ ইউনিটে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সংস্থাটি ভারতের বাজারে নিজেদের আধিপত্য আরও মজবুত করতে চাইছে। (Credit - Getty Images)

ভারতীয় গ্রাহকদের পছন্দ ও বৈশিষ্ট্যের কথা মাথায় রেখে হোন্ডা নতুন মডেল আনবে। এর মধ্যে থাকছে একটি সাব-ফোর মিটার কম্প্যাক্ট এসইউভি এবং একটি মিড্-সাইজ এসইউভি। এই দুই বিভাগেই বর্তমানে ভারতের প্যাসেঞ্জার ভেহিকল বাজারে সবথেকে বেশি চাহিদা রয়েছে। (Credit - Getty Images)

২০২৩ সালে ডব্লিউআর-ভি বন্ধের পর হোন্ডা পুনরায় কম্প্যাক্ট এসইউভি বিভাগে। টাটা নেক্সন, মারুতি ব্রেজা এবং হুন্ডাই ভেন্যু-র মতো সেরা বিক্রেতা গাড়িগুলোর সাথে পাল্লা দিতে হোন্ডা তাদের নতুন মডেলকে সেরা স্পেসিফিকেশন দিয়ে সাজিয়ে বাজারে নিয়ে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে। (Credit - Getty Images)

ব্যবসা বাড়াতে হোন্ডা 'ডিজিটাল ইনোভেশন ইন্ডিয়া' নামে একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরী করেছে। এছাড়া ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে সংস্থাটি নিজের ফাইন্যান্স কোম্পানি চালু করবে, যার মাধ্যমে সহজ কিস্তিতে গাড়ি কেনার সুবিধা দিয়ে বিক্রয় বাড়াবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। (Credit - Getty Images)

চিন ও ভারতের স্থানীয় ব্যবসার প্রতিযোগিতামূলক দক্ষতা ব্যবহার করে হোন্ডা বিশ্বজুড়ে তাদের খরচ কমাতে চায়। যন্ত্রাংশ তৈরীর ক্ষেত্রে হোন্ডা-নির্দিষ্ট মান পুনরায় যাচাই করে এবং সাধারণ মানের উপাদানের উপর গুরুত্ব দিয়ে তারা উৎপাদন খরচ কমানোর পথে হাঁটছে। (Credit - Getty Images)

ভারতকে একটি বৈশ্বিক রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলছে হোন্ডা। এখান থেকে তৈরী পণ্য মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকা এবং এশিয়ান দেশগুলোর বাজারে পাঠানো হবে। স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ভারতকে তারা বিশ্ববাজারের জন্য একটি শক্তিশালী সাপ্লাই চেন হিসেবে দেখছে। (Credit - Getty Images)