Liver Cirrhosis: মদ খেলেই লিভার সিরোসিস হয়? কত পেগ খেলে বারোটা বাজবে লিভার, উপসর্গ-চিকিত্‍সাই বা কী?

Liver Disease: মদ্যপানের কারণে লিভারের অসুস্থ হয়ে গেলে প্রাণ নিয়েও টানাটানিও হতে পারে। লিভার সিরোসিস ছাড়াও গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল ট্র্যাক্টে রক্তপাত, ব্রেনে টক্সিন জমে যাওয়া, পেটে ফ্লুইড জমা ও কিডনির সমস্যাও দেখা যায়। এছাড়া লিভার ক্যান্সারেরও আশঙ্কা তৈরি হয়। লিভারের যেকোনও সমস্যা থেকেও বাঁচতে মদ্যপান বন্ধ করা উচিত। রোজ মদ্যপান করলে বা অভ্যস্ত হয়ে পড়লে এখনই মদ্যপান ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিন।

Mar 15, 2024 | 3:20 PM

1 / 9
অতিরিক্ত কোনও কিছুই ভাল নয়। তেমনি অতিমাত্রায় অ্য়ালকোহল পান করলেও বিকল হয়ে পড়ে লিভার। লিভার অত্যন্ত জটিল একটি অঙ্গ। রক্তের নানা দূষিত পদার্থকে ছেঁকে বের করতে সাহায্য করে লিভার। শুধু তাই নয়, খাদ্য হজম করতেও সাহায্য করে। রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে, সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করতেও সাহায্য করে।

অতিরিক্ত কোনও কিছুই ভাল নয়। তেমনি অতিমাত্রায় অ্য়ালকোহল পান করলেও বিকল হয়ে পড়ে লিভার। লিভার অত্যন্ত জটিল একটি অঙ্গ। রক্তের নানা দূষিত পদার্থকে ছেঁকে বের করতে সাহায্য করে লিভার। শুধু তাই নয়, খাদ্য হজম করতেও সাহায্য করে। রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে, সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করতেও সাহায্য করে।

2 / 9
শরীরের বহু ক্ষতিকর পদার্থের সঙ্গে লড়াই করে সুস্থ রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করে লিভার। শুধু তাই নয়, নিজের ক্ষত নিজেই পূরণ করে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। মাথায় রাখা উচিত, অ্যালকোহল বা মদ, সিগারেট কোনও কিছু নেশার জিনিস শরীরর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। যতবার মদ বা অ্যালকোহল পান করা হয়, লিভারের প্রচুর ভাল কোষ নষ্ট হয়ে যায়। সেই ক্ষতগুলি পূরণ করে লিভারই।

শরীরের বহু ক্ষতিকর পদার্থের সঙ্গে লড়াই করে সুস্থ রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করে লিভার। শুধু তাই নয়, নিজের ক্ষত নিজেই পূরণ করে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। মাথায় রাখা উচিত, অ্যালকোহল বা মদ, সিগারেট কোনও কিছু নেশার জিনিস শরীরর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। যতবার মদ বা অ্যালকোহল পান করা হয়, লিভারের প্রচুর ভাল কোষ নষ্ট হয়ে যায়। সেই ক্ষতগুলি পূরণ করে লিভারই।

3 / 9
তবে দীর্ঘদিন ধরে, অতিরিক্ত মাত্রায় মদ বা অ্যালকোহল পান করলে লিভারের কোষ সারাজীবনের জন্য  নষ্ট হয়ে যায়। সেগুলি আর কখনওই সক্রিয় হয় না। ফলে স্থায়ীভাবে ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়। রোজ অতিরিক্ত মাত্রায় মদ খেলে অ্যালকোহলিক ফ্যাটি অ্যাসিড ডিজিজ, ফ্যাটি লিভার ডিজিজ, অ্য়ালকোহলিক হেপাটাইটিসের আশঙ্কা বেড়ে যায়।

তবে দীর্ঘদিন ধরে, অতিরিক্ত মাত্রায় মদ বা অ্যালকোহল পান করলে লিভারের কোষ সারাজীবনের জন্য নষ্ট হয়ে যায়। সেগুলি আর কখনওই সক্রিয় হয় না। ফলে স্থায়ীভাবে ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়। রোজ অতিরিক্ত মাত্রায় মদ খেলে অ্যালকোহলিক ফ্যাটি অ্যাসিড ডিজিজ, ফ্যাটি লিভার ডিজিজ, অ্য়ালকোহলিক হেপাটাইটিসের আশঙ্কা বেড়ে যায়।

4 / 9
অল্প সময়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে মদ্যপান করলেও হতে পারে অ্যালকোহলিক হেপাটাইটিস। এছাড়া লিভার সিরোসিস অবস্থা থেকে পুনরায় আগের অবস্থায় ফেরা অসম্ভব। সুস্থ থাকতে অ্যালকোহল পান বন্ধ করলে নতুন করে সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়। অ্যালকোহল খাওয়ার মাত্রায় বেড়ে গেলে লিভার ডিজিজের তেমন কোনও চিকিৎসা নেই। প্রধান চিকিৎসাই হল সারাজীবনের জন্য অ্যালকোহল পান বন্ধ করা।

অল্প সময়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে মদ্যপান করলেও হতে পারে অ্যালকোহলিক হেপাটাইটিস। এছাড়া লিভার সিরোসিস অবস্থা থেকে পুনরায় আগের অবস্থায় ফেরা অসম্ভব। সুস্থ থাকতে অ্যালকোহল পান বন্ধ করলে নতুন করে সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়। অ্যালকোহল খাওয়ার মাত্রায় বেড়ে গেলে লিভার ডিজিজের তেমন কোনও চিকিৎসা নেই। প্রধান চিকিৎসাই হল সারাজীবনের জন্য অ্যালকোহল পান বন্ধ করা।

5 / 9
অ্যালকোহল পান বন্ধ করলে লিভার পুনরায় সুস্থ হতে শুরু করে। কিন্তু মাদকাশক্ত হলে মদ্য়পান ত্যাগ করা কঠিন হয়ে পড়ে। সেক্ষেত্রে কাউন্সেলিং করে মদ্যপান ছাড়ার পরিকল্পনা করতে পারেন। ধূমপান, রক্তচাপ ও মদ্যপানজনিত লিভারের অসুখ বর্তমানে ভারতের অন্যতম সমস্যা।

অ্যালকোহল পান বন্ধ করলে লিভার পুনরায় সুস্থ হতে শুরু করে। কিন্তু মাদকাশক্ত হলে মদ্য়পান ত্যাগ করা কঠিন হয়ে পড়ে। সেক্ষেত্রে কাউন্সেলিং করে মদ্যপান ছাড়ার পরিকল্পনা করতে পারেন। ধূমপান, রক্তচাপ ও মদ্যপানজনিত লিভারের অসুখ বর্তমানে ভারতের অন্যতম সমস্যা।

6 / 9
মদ্যপানের কারণে লিভারের অসুস্থ হয়ে গেলে প্রাণ নিয়েও টানাটানিও হতে পারে। লিভার সিরোসিস ছাড়াও গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল ট্র্যাক্টে রক্তপাত, ব্রেনে টক্সিন জমে যাওয়া, পেটে ফ্লুইড জমা ও কিডনির সমস্যাও দেখা যায়। এছাড়া লিভার ক্যান্সারেরও আশঙ্কা তৈরি হয়। লিভারের যেকোনও সমস্যা থেকেও বাঁচতে মদ্যপান বন্ধ করা উচিত। রোজ মদ্যপান করলে বা অভ্যস্ত হয়ে পড়লে এখনই মদ্যপান ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিন।

মদ্যপানের কারণে লিভারের অসুস্থ হয়ে গেলে প্রাণ নিয়েও টানাটানিও হতে পারে। লিভার সিরোসিস ছাড়াও গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল ট্র্যাক্টে রক্তপাত, ব্রেনে টক্সিন জমে যাওয়া, পেটে ফ্লুইড জমা ও কিডনির সমস্যাও দেখা যায়। এছাড়া লিভার ক্যান্সারেরও আশঙ্কা তৈরি হয়। লিভারের যেকোনও সমস্যা থেকেও বাঁচতে মদ্যপান বন্ধ করা উচিত। রোজ মদ্যপান করলে বা অভ্যস্ত হয়ে পড়লে এখনই মদ্যপান ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিন।

7 / 9
অ্যালকোহল খাওয়া বেশি হলে বা আশক্ত হলে লিভার খারাপ হওয়ার লক্ষণ দেখা যায়। তেমনভাবে উপসর্গ বোঝা না গেলেও বেশ কিছু লক্ষণ চোখে পড়লেই সতর্ক হতে পারেন। প্রাথমিক লক্ষণগুলি হল, মাঝেমধ্যেই পেটে ব্যথা, খিদে কমে যাওয়া, ক্লান্তি, বারংবার অসুস্থ হয়ে পড়া, ডায়েরিয়া, বমিভাব।

অ্যালকোহল খাওয়া বেশি হলে বা আশক্ত হলে লিভার খারাপ হওয়ার লক্ষণ দেখা যায়। তেমনভাবে উপসর্গ বোঝা না গেলেও বেশ কিছু লক্ষণ চোখে পড়লেই সতর্ক হতে পারেন। প্রাথমিক লক্ষণগুলি হল, মাঝেমধ্যেই পেটে ব্যথা, খিদে কমে যাওয়া, ক্লান্তি, বারংবার অসুস্থ হয়ে পড়া, ডায়েরিয়া, বমিভাব।

8 / 9
বেশি মাত্রায় মদ্যপান করলে চোখ ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া, ত্বকে হলুদভাব , ত্বকে চুলকানি, ওজন কমে যাওয়া, চুল ঝরে পড়া, পেট ফুলে যাওয়া, গোড়ালি বা পা ফুলে যাওয়ার মতো উপসর্গগুলি দেখা যায়। অনেকের আবার স্মৃতিরও সমস্যা দেখা যায়।

বেশি মাত্রায় মদ্যপান করলে চোখ ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া, ত্বকে হলুদভাব , ত্বকে চুলকানি, ওজন কমে যাওয়া, চুল ঝরে পড়া, পেট ফুলে যাওয়া, গোড়ালি বা পা ফুলে যাওয়ার মতো উপসর্গগুলি দেখা যায়। অনেকের আবার স্মৃতিরও সমস্যা দেখা যায়।

9 / 9
অ্যালকোহল পানের কারণে শরীরের এই সমস্যাগুলি দেখা দিয়ে প্রথম ও শেষ সিদ্ধান্ত নিন, আর কখনও মদ্যপানের অভ্যেস করবেন না। লক্ষণগুলি বোঝা মাত্রই চিকিত্‍সকের পরামর্শ নিতে পারেন। সুস্থ থাকতে আজই এই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

অ্যালকোহল পানের কারণে শরীরের এই সমস্যাগুলি দেখা দিয়ে প্রথম ও শেষ সিদ্ধান্ত নিন, আর কখনও মদ্যপানের অভ্যেস করবেন না। লক্ষণগুলি বোঝা মাত্রই চিকিত্‍সকের পরামর্শ নিতে পারেন। সুস্থ থাকতে আজই এই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

Follow Us