
রক্তনালীতে বাধার সৃষ্টি: ব্যাড কোলেস্টেরল বা এলডিএল (LDL) রক্তনালীতে চর্বি জমিয়ে রক্ত চলাচলে বাধা দেয়, যা হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম প্রধান কারণ।

ডায়াবেটিস ও হার্টের ঝুঁকি: টাইপ ২ ডায়াবেটিস থাকলে শরীরে ভালো কোলেস্টেরল কমে এবং খারাপ কোলেস্টেরল বাড়ে; তাই সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা হার্টের জন্য জরুরি।

ওজন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব: অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা ব্যাড কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দেয়। সুস্থ থাকতে এবং হৃদরোগ এড়াতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা আবশ্যিক।

বর্জন করুন ট্রান্সফ্যাট: রেড মিট, ভাজাভুজি এবং বেকারি পণ্য (বিস্কুট, কেক) রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বাড়ায়; এগুলো যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

ফাইবারের ম্যাজিক: ওটস, ডালিয়া এবং ব্রাউন রাইসের মতো ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার শরীর থেকে বাড়তি চর্বি বা কোলেস্টেরল বের করে দিতে সাহায্য করে।

ফল ও সবজির ভূমিকা: প্রতিদিনের পাতে শসা, সবুজ শাকসবজি এবং ফল (যেমন- আপেল, কমলা) রাখুন। এগুলি ধমনী পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

উপকারী ফ্যাট: আমন্ড, আখরোট, তিসির বীজ এবং অলিভ অয়েলে থাকা ‘গুড ফ্যাট’ হার্টের কার্যক্ষমতা বাড়াতে এবং ব্যাড কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক। খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা, দৌড়ানো বা হালকা ব্যায়াম রক্তে কোলেস্টেরলের ভারসাম্য বজায় রাখে।