
বেগুন পোড়া, বেগুন ভাজা, বেগুনের ভর্তা, বেগুন রেজালা, বেগুন সুন্দরী.... বেগুন দিয়ে জিভে জল আনা সব রেসিপিগুলি বাঙালির সর্বকালের প্রিয়। অনেকের বেগুনে অ্যালার্জি রয়েছে, আবার বেগুনের নাম শুনতেই নাক সিঁটকান। তবে যাদের কাছে প্রিয় তারা গরম ভাত থেকে শুরু লুচি, রুটি, সবকিছু দিয়েই জিভের স্বাদ মেটান।

বেগুনের নাম শুনলেই অনেকেই গুণহীন সবজির কথা বলেন। কিন্তু তাঁরা জানেন না এই বে-গুনেই রয়েছে ডায়াবেটিস ও উচ্চ কোলেস্টেরল রোধের মোক্ষম ওষুধ। যে কোনও উপায়েই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। বর্তমানে অধিকাংশই জাঙ্কফুড খেতে পছন্দ করেন। ফলে খুব কম বয়সেই নানারোগের শিকার হোন।

বর্তমানে অল্প বয়সেই হার্টের রোগ, উচ্চ কোলেস্টেরল ও ডায়াবেটিসের মতো কঠিন রোগের শিকার হচ্ছেন। বাঙালির সবচেয়ে প্রিয় বেগুন ভাজাতেই যে এই রোগগুলির প্রতিরোধক।

এমন সবজির গুণগুলি জানলে প্রতিদিনই পাতে রাখবেন। অনেকে এড়িয়ে যান, কিন্তু বেগুনের গুণের কথা জানলে আর এড়িয়ে যাবেন না।

বেগুন খাওয়ার অনেক উপায় আছে। রোজ রোজ বেগুন ভাজা করলে কয়লার আগুনে বেগুন ভাজলে ভর্তা তৈরি করা হয়, এছাড়া বেগুনের শক্তি দ্বিগুণ হয়। এর কারণ এইভাবে বেগুনের রান্না করা হলে কোনও ক্ষতি হয় না।

বেগুনের ভর্তা খেলে শরীরে যাবতীয় খারাপ কোলেস্টেরল কমে যায়। বিশেষজ্ঞরা একটি পরীক্ষা করে দেখেছেন, প্রতিনিয়ত একটি ইঁদুরকে বেগুনের রস দেওয়া হলে তার শরীরের বাজে কোলেসটেরল ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। তাতে হার্টের রোগ ও অন্যান্য রোগগুলি বাসা বাঁধতে পারে না।

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বেগুন অন্তর্ভুক্ত করলে তা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। বেগুনে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে তাতে সহজেই পরিপাকতন্ত্র থাকে স্বাভাবিক।

হেলথলাইন ওয়েবসাইট অনুসারে, বেগুনে সোলাসোডিন র্যামনোসিল গ্লাইকোসাইডস (এসআরজি) নামে এক যৌগ রয়েছে, যা ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। তাই বেগুন ডায়েটে রাখলে আপনার শরীর থাকবে কঠিন রোগ থেকে মুক্ত।