
ঘামাচি আক্রান্ত স্থানে পরিষ্কার কাপড়ে বরফ মুড়িয়ে ৫-১০ মিনিট ঘষুন। এতে ত্বকের জ্বালাপোড়া কমবে এবং ঘামাচি দ্রুত শুকিয়ে যাবে।

মুলতানি মাটির সাথে গোলাপ জল মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন। এটি ঘামাচির ওপর লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল ও ময়লা শুষে নেয়।

অ্যালোভেরার অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ ত্বক ঠান্ডা রাখে। তাজা অ্যালোভেরা জেল সরাসরি ঘামাচিতে লাগান, এতে চুলকানি ও লালচে ভাব নিমেষেই দূর হবে।

বেসন ও টক দইয়ের মিশ্রণ ত্বকের রোমকূপ পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। এই মিশ্রণটি লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেললে ঘামাচির উপদ্রব কমে।

চন্দনের শীতলকারক গুণ ঘামাচির মোক্ষম দাওয়াই। চন্দন ও গোলাপ জলের পেস্ট ত্বকের তাপমাত্রা কমিয়ে আরাম দেয় এবং ঘামাচি সারিয়ে তোলে।

নিম পাতা বেটে ঘামাচিতে লাগাতে পারেন অথবা নিম পাতা ফোটানো জল দিয়ে স্নান করতে পারেন। এটি ত্বকের যেকোনো সংক্রমণ রোধ করতে সাহায্য করে।

শসার টুকরো ঘামাচির ওপর ঘষুন অথবা শসার রস লাগিয়ে রাখুন। শসার শীতল ভাব ত্বককে সতেজ রাখবে এবং জ্বালাভাব দ্রুত কমিয়ে দেবে।