
শীতের দিনে তেলেভাজা, ঝাল-মশলাদার খাবার খেতে বেশ লাগে। ঠান্ডা বেশি থাকে বলে এই সময় হজম ক্ষমতাও অন্য সময়ের থেকে বেশি থাকে। সেই সঙ্গে বাড়িতেও অনেক রকমের খাবার বানানো হয়

পিঠে-পুলি এসব তো বানানো হয়ই। এছাড়াও এই সময় বাজারে প্রচুর টাটকা সবজি আসে। সেই সবজি দিয়ে বানিয়ে নেওয়া হয় রকমারি সব তরকারিও। শীতের বিশেষত্ব হল পকোড়া।

এই সময় বাজারে ধনেপাতা, পেঁয়াজকলি, বকফুল, সরষেফুল এসব প্রচুর পাওয়া যায়। এই সব ফুল বেসনের ব্যাটারে চুবিয়ে বড়া বানিয়ে খেতে বেশ লাগে। গরম ভাতে বা মুড়ি দিয়ে মেখে খেতে পারেন

তেমনই শীতের দিনে জনপ্রিয় একটি খাবার হল ফুলকপির শিঙাড়া। শীতের বিশেষত্ব হল এই খাবার। খুব কম দোকানেই কিনতে পাওয়া যায় এই শিঙাড়া। আর তা বাড়িতেও বানিয়ে নিতে পারেন আপনি। দেখুন স্টেপ বাই স্টেপ পদ্ধতি

ফুলকপির শিঙাড়া বাঙালির আভিজাত্যের চিহ্ন বহন করে চলে। শীতের দিনে সন্ধ্যায় বাঙালি বাড়িতে আড্ডা মানে এই শিঙাড়া থাকবেই। এখনকার প্রজন্ম ফুলকপির শিঙাড়ার সঙ্গে তেমন আর পরিচিতিও না

ফুলকপিকে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে ১০ মিনিট জলে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর আলুর খোসা না ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে রেখে আলুর টুকরোগুলিও ১০ মিনিটের জন্যে ভিজিয়ে রাখুন

ফুলকপি আর আলু হলুদগুঁড়ো আর নুন দিয়ে ম্যারিনেট করে রেখে দিন। তারপর অন্য একটি পাত্রে ২ টেবিল চামচ তেল আর ১ টেবিল চামচ ঘি নিয়ে গরম করুন। ভালো মতো গরম হয়ে এলে সেই তেল আর ঘি-এর মধ্যে কাজুবাদাম আর কিশমিশ দিয়ে দিন। তারপর আলুর টুকরোগুলি সেই পাত্রে দিয়ে ৫ মিনিট ধরে ভাল করে ভাজুন

এবার এতে সামান্য কসৌরি মেথি ছড়িয়ে ভেজে রাখা কাজুবাদাম, কিশমিশ, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো, চিনি মিশিয়ে নিতে হবে। স্বাদমতো নুনও দেবেন। ব্যাস তৈরি পুর। এবার ময়দা মেখে শিঙাড়া গড়ে ওর মধ্যে পুর ভরে নিন। এবার গরম তেলে ভেজে নিলেই তৈরি শিঙাড়া