
১৯৫৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর চন্দননগরে জন্মগ্রহণ করেন তাপস পাল। তিনি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়ো-মেডিক্যাল সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
১৯৮০ সালে প্রখ্যাত পরিচালক তরুণ মজুমদারের কালজয়ী চলচ্চিত্র 'দাদার কীর্তি'-র মাধ্যমে রূপালী পর্দায় তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে। ট্রেনে যাতায়াতের সময় সহকারী পরিচালক শ্রীনিবাস চক্রবর্তীর নজরে পড়াটাই তাঁর অভিনয় জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।
এরপর আর তাঁকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। 'পারাবত প্রিয়া', 'ভালোবাসা ভালোবাসা' ও 'গুরুদক্ষিণা'-র মতো একের পর এক বাণিজ্যিক হিট সিনেমা উপহার দেন তিনি। পর্দায় মহুয়া রায়চৌধুরী, দেবশ্রী রায় এবং শতাব্দী রায়ের সঙ্গে তাঁর রসায়ন ও জুটি দর্শককুলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।
বিজয় বোস পরিচালিত 'সাহেব' ছবিটি ছিল তাপস পালের ক্যারিয়ারের অন্যতম মাইলফলক। ছবিটিতে তাঁর দুর্দান্ত অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮১ সালে তিনি মর্যাদাপূর্ণ 'ফিল্মফেয়ার' অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।
১৯৮৪ সালে 'অবোধ' সিনেমার মাধ্যমে হিন্দি চলচ্চিত্র জগতে অভিষেক ঘটে তাপস পালের। এই ছবিতে তাঁর বিপরীতেই বলিউডের ভবিষ্যৎ ড্রিম গার্ল মাধুরী দীক্ষিতের প্রথম ডেবিউ হয়েছিল।
অভিনয় জীবনের সফল পর্বের পর তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন এবং তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে ২০০১ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত আলিপুর বিধানসভার বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হন।