ঘর মোছার সঠিক নিয়মেই ফিরবে সৌভাগ্য! কায়দা জেনে নিন

বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, ঘর মোছার কাজ সবসময় বাড়ির প্রধান প্রবেশদ্বার বা মেইন গেট থেকে শুরু করা উচিত। সেখান থেকে পরিষ্কার করতে করতে ঘরের ভেতরের অন্যান্য কোণে যাওয়া ভালো। আরও একটি বিশেষ বিষয় হলো, মোছার সময় হাত সবসময় ঘড়ির কাঁটার দিকে (Clockwise) ঘোরানো উচিত। এতে ঘরে ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার হয়।

|

Apr 02, 2026 | 8:32 PM

1 / 8
 আমরা কমবেশি সকলেই প্রতিদিন ঘর পরিষ্কার করি। কিন্তু আপনি কি জানেন, ঘর মোছার এই সাধারণ কাজের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে আপনার মানসিক শান্তি এবং ভাগ্যের যোগসূত্র?

আমরা কমবেশি সকলেই প্রতিদিন ঘর পরিষ্কার করি। কিন্তু আপনি কি জানেন, ঘর মোছার এই সাধারণ কাজের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে আপনার মানসিক শান্তি এবং ভাগ্যের যোগসূত্র?

2 / 8
বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, নোংরা ঘর নেতিবাচক শক্তির প্রতীক। ঠিক সময়ে এবং সঠিক পদ্ধতিতে ঘর মুছলে শুধু মেঝে চকচক করবে তাই নয়, আপনার ঘর থেকে বাস্তুদোষও চিরতরে বিদায় নেবে।

বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, নোংরা ঘর নেতিবাচক শক্তির প্রতীক। ঠিক সময়ে এবং সঠিক পদ্ধতিতে ঘর মুছলে শুধু মেঝে চকচক করবে তাই নয়, আপনার ঘর থেকে বাস্তুদোষও চিরতরে বিদায় নেবে।

3 / 8
বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, ঘর মোছার কাজ সবসময় বাড়ির প্রধান প্রবেশদ্বার বা মেইন গেট থেকে শুরু করা উচিত। সেখান থেকে পরিষ্কার করতে করতে ঘরের ভেতরের অন্যান্য কোণে যাওয়া ভালো।

বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, ঘর মোছার কাজ সবসময় বাড়ির প্রধান প্রবেশদ্বার বা মেইন গেট থেকে শুরু করা উচিত। সেখান থেকে পরিষ্কার করতে করতে ঘরের ভেতরের অন্যান্য কোণে যাওয়া ভালো।

4 / 8
আরও একটি বিশেষ বিষয় হলো, মোছার সময় হাত সবসময় ঘড়ির কাঁটার দিকে (Clockwise) ঘোরানো উচিত। এতে ঘরে ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার হয়।

আরও একটি বিশেষ বিষয় হলো, মোছার সময় হাত সবসময় ঘড়ির কাঁটার দিকে (Clockwise) ঘোরানো উচিত। এতে ঘরে ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার হয়।

5 / 8
অনেকেই নিজের সুবিধা মতো দিনের যেকোনো সময় ঘর মুছে থাকেন। কিন্তু বাস্তু মতে এটি ভুল। ঘর মোছার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো ‘ব্রাহ্ম মুহূর্ত’ (সূর্যোদয়ের আগে, ভোর ৪টে থেকে ৫:৩০টার মধ্যে)। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে সূর্যোদয়ের ঠিক পরেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ সেরে নেওয়া উচিত।

অনেকেই নিজের সুবিধা মতো দিনের যেকোনো সময় ঘর মুছে থাকেন। কিন্তু বাস্তু মতে এটি ভুল। ঘর মোছার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো ‘ব্রাহ্ম মুহূর্ত’ (সূর্যোদয়ের আগে, ভোর ৪টে থেকে ৫:৩০টার মধ্যে)। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে সূর্যোদয়ের ঠিক পরেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ সেরে নেওয়া উচিত।

6 / 8
ঘর মোছার সময় বালতির জলে এক চিমটি সৈন্ধব লবণ বা সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিন। বাস্তু বিশ্বাস অনুযায়ী, লবণ ঘরের সমস্ত নেতিবাচক শক্তি শুষে নেয়। এটি শুধু জীবাণু নাশ করে তাই নয়, পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক প্রেম এবং সদ্ভাব বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।

ঘর মোছার সময় বালতির জলে এক চিমটি সৈন্ধব লবণ বা সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিন। বাস্তু বিশ্বাস অনুযায়ী, লবণ ঘরের সমস্ত নেতিবাচক শক্তি শুষে নেয়। এটি শুধু জীবাণু নাশ করে তাই নয়, পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক প্রেম এবং সদ্ভাব বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।

7 / 8
শাস্ত্রীয় নিয়ম অনুযায়ী, দুপুরবেলা কিংবা সূর্যাস্তের পর ভুলেও ঘর মোছা উচিত নয়। মনে করা হয়, দুপুরের সময় নেতিবাচক শক্তির প্রভাব সবচেয়ে বেশি থাকে। এই সময়ে ঘর পরিষ্কার করলে সংসারে অশান্তি এবং গৃহ-বিবাদ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

শাস্ত্রীয় নিয়ম অনুযায়ী, দুপুরবেলা কিংবা সূর্যাস্তের পর ভুলেও ঘর মোছা উচিত নয়। মনে করা হয়, দুপুরের সময় নেতিবাচক শক্তির প্রভাব সবচেয়ে বেশি থাকে। এই সময়ে ঘর পরিষ্কার করলে সংসারে অশান্তি এবং গৃহ-বিবাদ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

8 / 8
তাই সুস্থ এবং শান্তিপূর্ণ জীবন পেতে আজ থেকেই ঘর মোছার এই ছোট ছোট বাস্তু নিয়মগুলো মেনে চলতে পারেন। সামান্য এই পরিবর্তনই বদলে দিতে পারে আপনার গৃহকোণের পরিবেশ।

তাই সুস্থ এবং শান্তিপূর্ণ জীবন পেতে আজ থেকেই ঘর মোছার এই ছোট ছোট বাস্তু নিয়মগুলো মেনে চলতে পারেন। সামান্য এই পরিবর্তনই বদলে দিতে পারে আপনার গৃহকোণের পরিবেশ।

Follow Us