
হিন্দু ক্যালেন্ডার মতে, গত ২৪ মে থেকে শুরু হয়েছে জ্যৈষ্ঠ মাস। চলবে আগামী ২৩ জুন। হিন্দু মতে, এই মাসে ভগবান বিষ্ণুর সঙ্গে সঙ্গে বজরঙ্গবলী পুজোর বিশেষ তাত্পর্য ও গুরুত্ব রয়েছে। আর ভগবান বিষ্ণু মানেই তুলসী প্রসঙ্গ আসবে। পবিত্র এই মাসে তুলসী পুজো করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। হিন্দু ধর্মে তুলসী গাছকে পবিত্র বলে মনে করা হয়। বিষ্ণু ও লক্ষ্মীর আশীর্বাদ বাঙালীরা প্রতিদিন জল ঢেলে তুলসী পুজো করে থাকেন। জ্যৈষ্ঠমাসে ভগবান বিষ্ণু ও দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা ও আশীর্বাদ পেতে তুলসী পুজোর সময় বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত। এই মাসে শুভ ফল পেতে জ্যৈষ্ঠ মাসে তুলসীর উপকরণগুলি মেনে চললে জীবনে বিশেষ উপকার পেতে পারেন।
প্রদীপ জ্বালানো: জ্যৈষ্ঠ মাসে প্রতিদিন (রবিবার ও একাদশী তিথি ছাড়া) তুলসীকে জল নিবেদন করা উচিত। শুধু জল নিবেদন করা হলেও পাশাপাশি ময়দার প্রদীপ তৈরি করে তুলসীর সামনে জ্বালাতে পারেন। আটার প্রদীপে ঘি ব্যবহার করতে পারেন। এর সঙ্গে প্রদীপে কিছু হলুদ ও দুটি লবঙ্গ রেখে দিতে হবে। তবে প্রদীপ জ্বালানোর সময় বিশেষ খেয়াল রাখবেন প্রদীপ যেন উত্তর দিকে মুখ করে রাখা থাকে।
বজরঙ্গবলীকে তুষ্ট করুন
জ্যৈষ্ঠ মাসকে বজরঙ্গবলীর আরাধনার জন্য উৎসর্গ করা হয়। তাই পুজোর সময় বজরঙ্গবলীকে তুলসীর মালা অর্পণ করা উচিত। তাতে সব ধরনের ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, সমৃদ্ধির পথ ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করে। এর জন্য কমলা রঙের সিঁদুরে সরষের তেল মিশিয়ে নিন। এরপর ১১টি তুলসী পাতা নিয়ে তাতে রামের নাম লিখুন। এবার এই পাতার মালা বানিয়ে বজরংবলীকে অর্পণ করুন।
বৃহস্পতিবার এই কাজ করুন
বিষ্ণুর পূজার জন্যও জ্যৈষ্ঠ মাসের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার ভগবান বিষ্ণুর পুজোয় তুলসী পাতা নিবেদন করুন। পুজোর পরে, এই পাতাগুলি একটি হলুদ কাপড়ে বেঁধে টাকার জায়গায় নিরাপদে রাখুন। লক্ষ্মীর আশীর্বাদ সবসময়ের জন্য আশীর্বাদ বজায় থাকে।