
সকালবেলার ঘুম থেকে উঠেই দিন শুরু হয় স্নানঘর বা শৌচালয় থেকেই। আপনি কী জানেন বিছানা ছেড়েই প্রথম যে ঘরে যান, সেই ঘরটিই হতে পারে নেতিবাচক শক্তির প্রধান উৎস? অনেক সময় না বুঝেই অনেকে বাথরুমে এমন কিছু রেখে দেন, যা শুধু অমঙ্গলই নয় সংসারে চরম আর্থিক অনটন ডেকে আনে। বাস্তু বিশেষজ্ঞের মতে সামান্য কিছু নিয়ম মেনে চললেই এই নেতিবাচকতা কাটিয়ে সুখ শান্তি ফেরানো সম্ভব।
নেতিবাচকতা রুখতে কী কী এড়িয়ে চলবেন?
খালি বালতি- অনেকেই ব্যবহার শেষে বালতি বা মগ খালি রেখে দেন। বাস্তুমতে এটাই সবচেয়ে বড় ভুল। শৌচালয়ে কখনই খালি বালতি বা মগ রাখা উচিত নয়। কারণ এটি জীবনের অভাব অনটনের ইঙ্গিত দেয়। হয় বালতিতে পরিষ্কার জল ভরে রাখুন অথবা বালতি উল্টে রাখুন। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী নীল রংয়ের বালতি বা মগকে অত্যন্ত শুভ বলে মানা হয়।
ভাঙা আয়না- বাথরুমে কী ভাঙা আয়না যত্ন করে রেখে দিয়েছেন? বদলে ফেলুন আজই। ভাঙা আয়না কেবল দেখতে খারাপ লাগে তাই নয়, এটা বাড়ির সদস্যদের ওপরেও কুপ্রভাব ফেলে বলে বলে জানাচ্ছেন বাস্তুবিদরা। আবার এই একই জিনিস প্রযোজ্য কল বা পাইপের ক্ষেত্রেও যদি কলের জল অবিরাম চুইয়ে পড়ে তাহলে বুঝবেন আপানর কষ্টার্জিত অর্থ জলের মতই অপচয় হতে চলেছে।
ভেজা কাপড় ও জমে থাকা চুল- অনেকেরই অভ্যাস থাকে বাথরুমে অনেকক্ষণ ধরে ফেলে রাখা। মনে রাখবেন এই অভ্যাস রাহু ও কেতুর প্রভাব বাড়িয়ে দেয়। ঠিক একইভাবে ড্রেনের জলে চুল আটকে থাকলে শনির রোষের মুখে পড়তে পারেন। তাই স্নানের পর বাথরুমের মেঝে শুকনো রাখা এবং চুল পরিষ্কার করা অত্যন্ত জরুরি।
ছেড়া চটি ও মৃত গাছ- পুরনো বা ছেঁড়া চটি বাথরুমে ব্যবহার করলে উন্নতির পথে বাধা আসে। এছাড়া যেখানে সূর্যের আলো পৌঁছায় না সেখানে গাছ রাখা একেবারেই উচিত নয়। শুকিয়ে যাওয়া গাছ নেতিবাচক শক্তি বাড়ায়।
বাস্তুদোষ কাটাবেন কীভাবে?
বাস্তুদোষ কাটাতে কিছু সামুদ্রিক লবণ বাথরুমের এক কোণায় রেখে দিন। এটি অশুভ শক্তি শুষে নিতে সাহায্য করে। এছাড়া কাজ মিটে গেলে বাথরুমের দরজা কখনই হাট করে খুলে রাখবেন না। এতে নেতিবাচক শক্তি গোটা বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে।