
কলকাতা: বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিশেষ উদ্যোগ নিল Siddha গ্রুপ। পরিবেশ নিয়ে সচেতনতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ‘Give Back to the World’-এর সূচনা করেছে। সংস্থার ‘Be Selfish’ ভাবনার উপর ভিত্তি করে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রচারের মূল লক্ষ্য পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি, স্থায়ী ও সুন্দর জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া এবং সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
সংস্থার ‘Be Selfish. Give Back to the World’ ভাবনার উপর ভিত্তি করে এই প্রচার অভিযান একটি সহজ কিন্তু শক্তিশালী বার্তা তুলে ধরে। এমন একটি বার্তা, যেখানে বিশুদ্ধ বাতাস আমাদের সুস্থ রাখে, সবুজ পরিবেশ জীবনকে আরও সুন্দর করে তোলে এবং একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত করে। এই ভাবনা-চিন্তার মাধ্যমে সিদ্ধা গ্রুপ মানুষকে প্রকৃতির প্রতি দায়বদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে। কারণ প্রকৃতির সুস্থতা, সৌন্দর্য সরাসরি আমাদের জীবন ও ভবিষ্যতের উপর প্রভাব ফেলে।
এই উদ্যোগ বা প্রচারের অংশ হিসেবে শিশুদের জন্য একটি সিট অ্যান্ড ড্র প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।‘How Can We Give Back To Nature?’ বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল সংস্থার তরফে। পাশাপাশি শিশুদের মধ্যে পরিবেশ ও উদ্ভিদ সংরক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তুলতে একটি সচেতনতামূলক সেশনও অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে শিশুদের গাছপালা রক্ষা ও পরিচর্যার গুরুত্ব সম্পর্কে জানানো হয়।
সিট অ্যান্ড ড্র প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বিশেষ অতিথি অভিনেতা ও বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ এবং অভিনেত্রী অনুষা বিশ্বনাথন।এই প্রসঙ্গে সংস্থার ডিরেক্টর আয়ুষ্মান জৈন বলেন,”আমরা বিশ্বাস করি, সাসটেইনবিলিটি শুরু হয় প্রতিদিনের ছোট ছোট সিদ্ধান্ত এবং সম্মিলিত দায়িত্ববোধ থেকে। ‘Be Selfish. Give Back to the World.’ উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা মানুষকে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের বাইরে গিয়ে পরিবেশের সঙ্গে আরও দায়িত্বশীল সম্পর্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানাতে চাই। শিশু ও পরিবারকে এই ধরনের অর্থবহ কার্যক্রমে যুক্ত করে আমরা প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করতে চাই এবং আগামী প্রজন্মের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরতে চাই। আমাদের ‘Be Selfish’-এর মাধ্যমে আমরা তুলে ধরতে চাই যে, পরিবেশ রক্ষা করা আদতে একটা ইনভেস্টমেন্ট বা বিনিয়োগ। নিজেদের ভালো থাকার, সমাজ ও ভবিষ্যতকে ভাল রাখার জন্য বিনিয়োগ।
প্রচারের মাধ্যমে এই গ্রুপ দীর্ঘদিনের দায়িত্বশীল সামাজিক উন্নয়ন ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের প্রতিশ্রুতিকে আরও শক্তিশালী করেছে। বাসিন্দাদের অংশগ্রহণ, শিশুদের ক্ষমতায়ন এবং পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি সবুজ ও স্বাস্থ্যকর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে সংস্থা।