Bengal Cricket Controversy: বঙ্গ ক্রিকেটে ‘দুর্নীতি’ রুখতে ক্রীড়ামন্ত্রীর দফতরে ফের জমা পড়ল চিঠি!

Cricket Association of Bengal: কয়েকদিন আগেই ময়দানে স্বচ্ছতা ফেরাতে ক্রীড়ামন্ত্রীকে চিঠি দেন প্রাক্তন সিএবি সভাপতি অভিষেক ডালমিয়া। দুর্নীতি রুখতে 'জিরো টলারেন্স' নীতি প্রয়োগ করার আবেদন জানান অভিষেক। এমনকি ক্রিকেটার, কোচ, অভিভাবকদের জন্য একটি অ্যান্টি করাপশন হেল্পলাইন নম্বর চালু করার আবেদনও জানান তিনি।

Bengal Cricket Controversy: বঙ্গ ক্রিকেটে দুর্নীতি রুখতে ক্রীড়ামন্ত্রীর দফতরে ফের জমা পড়ল চিঠি!
ক্রিকেট অ্যাসোশিয়েশন অফ বেঙ্গলImage Credit source: Getty Images

| Edited By: Moumita Das

Jul 03, 2026 | 2:30 PM

কলকাতা: গত বছর টিভি নাইন বাংলার একটি প্রতিবেদনে হইচই পড়ে গিয়েছিল ময়দানে। বাংলার ক্লাব ক্রিকেটে দুর্নীতির অভিযোগের কথা প্রকাশ্যে এসেছিল। আর সেটাই তুলে ধরা হয়েছিল। হুইসেলব্লোয়ারের কাজ করেছিলেন জনৈক ক্রিকেট অনুরাগী শান্তনু বসু। সেই সময় দ্বিতীয় ডিভিশনে খেলা ক্লাব সুবারবানের বিরুদ্ধে গুচ্ছ গুচ্ছ অভিযোগ প্রকাশ্যে এনেছিলেন তিনি। সিএবি ছাড়াও লালবাজার, পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের কাছেও বিষয়টির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন তিনি। রাজ্যে পালাবদলের পর এবার ক্রীড়ামন্ত্রীর দ্বারস্থ হলেন সেই ক্রিকেট অনুরাগী।

দ্বিতীয় ডিভিশনে খেলা ক্লাব সুবারবানের বিরুদ্ধে ভিন রাজ্যের ক্রিকেটার খেলানোর অভিযোগ উঠেছিল। জাল নথি বানিয়ে বাংলার ক্লাব ক্রিকেটে রমরমিয়ে খেলার অভিযোগ উঠেছিল তাদের বিরুদ্ধে। বিশেষ করে ৬ ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে উঠেছিল অভিযোগ। সিএবির দ্বিতীয় ডিভিশন লিগে ভিন রাজ্যের ক্রিকেটার খেলানোর নিয়ম নেই। আর সেই নিয়মকেই বুড়ো আঙুল দেখানোর অভিযোগ উঠেছিল সুবারবান ক্লাবের বিরুদ্ধে।

স্বাগত কুমার ঝা, অভিশান্ত বক্সী, অনিল কুমার, সুধাংশু সিং, সানি কুমার পণ্ডিত, মাবরুক আহমেদসহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে জাল নথি ব্যবহার করে সিএবি লিগে খেলার অভিযোগ তুলেছিলেন শান্তনু বসু। স্বাগত, অনিলরা আদৌ এ রাজ্যের বাসিন্দা কিনা তা খোঁজ করতে সরেজমিনে নেমেছিল টিভি নাইন বাংলা। দেখা যায়, কেউ ব্যবহার করেছে ভুঁয়ো ঠিকানা আবার কেউ ৬ মাস আগে ভাড়ায় এসেছে সেই ঠিকানায়। এর পরেই সিএবি লিগে ক্রিকেটারদের জন্য বায়োমেট্রিক বাধ্যতামূলক করে বাংলার ক্রিকেট সংস্থা। কিন্তু এরপরও বিভিন্ন সময় অভিযোগ উঠে এসেছে সিএবি লিগকে ঘিরে।

কয়েকদিন আগেই ময়দানে স্বচ্ছতা ফেরাতে ক্রীড়ামন্ত্রীকে চিঠি দেন প্রাক্তন সিএবি সভাপতি অভিষেক ডালমিয়া। দুর্নীতি রুখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি প্রয়োগ করার আবেদন জানান অভিষেক। এমনকি ক্রিকেটার, কোচ, অভিভাবকদের জন্য একটি অ্যান্টি করাপশন হেল্পলাইন নম্বর চালু করার আবেদনও জানান তিনি। তার দিন তিনেক বাদেই আলাদা ভাবে সিএবির স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে ক্রীড়ামন্ত্রীকে চিঠি দেন সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সেখানে দুর্নীতি রুখতে বঙ্গ ক্রিকেট কিভাবে জিরো টলারেন্স নীতি প্রয়োগ করেছে তা জানান সৌরভ। এরপরই ময়দানে জোর চর্চায় চলে আসে সৌরভ বনাম অভিষেক প্রশাসনিক দ্বৈরথের কথা।

Follow Us