
কলকাতা : ঘরে আইএসএল (Indian Super League) এসেছে, প্রায় এক মাস হয়ে গেল। এখনও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) দলে অনিশ্চয়তা। দলের কোচের পদ ছেড়ে দিয়েছেন অস্কার ব্রুজো (Oscar Bruzon)। কে লাল-হলুদের নতুন কোচ হবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই ধন্দে সমর্থকরা। তবে, ময়দানে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, কলকাতায় অতীতে কোচিং করানো ময়দানের অভিজ্ঞ কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসই (Antonio Lopez Habas) আবার ফিরতে চলেছেন।
আগে অ্যাটলেটিকো দি কলকাতা, এটিকে মোহনবাগানে কোচিং করিয়েছেন হাবাস। দলকে করেছেন চ্যাম্পিয়নও। তবে শোনা যাচ্ছে, এবার তাঁর উপরেই ভরসা রাখতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্ট। সূত্রের খবর, আগামী ১ বছরের জন্য হাবাসের সঙ্গে চুক্তি করতে চলেছে লাল-হলুদ। এখনও আইএসএল কবে হবে বা আদৌ হবে কি না, সেই বিষয়ে কোনও খবর না থাকলেও শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে ডুরান্ড কাপ। সেই টুর্নামেন্টে খুব সম্ভবত হাবাসই থাকবেন লাল-হলুদ ডাগ আউটে। আইএসএল জয়ের পর ডুরান্ড কাপই হতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল সিনিয়র দলের সবথেকে বড় পরীক্ষা। এর পাশাপাশি বেশ কিছু খবর শোনা যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গলের বিদেশীদের নিয়েও। শোনা গিয়েছে, ইস্টবেঙ্গলকে এই সিজনে চ্যাম্পিয়ন করার অন্যতম প্রধান কান্ডারি হিসেবে পরিচিত মিগুয়েল ফেরেইরাকে সই করাতে চলেছে মোহনবাগান সুপারজায়েন্ট। তাঁকে নাকি বড় অঙ্কের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে সবুজ-মেরুনের তরফ থেকে। তবে আপাতত এই বিষয় নিয়ে কোনও নিশ্চিত খবর পাওয়া যায়নি।
ইস্টবেঙ্গল দলের বিদেশিদের মধ্যে আগেই দল ছেড়ে দিয়েছেন মিগুয়েল ও ইউসুফ ইজ্জেজারি। লাল-হলুদের প্রাক্তন কোচ অস্কারের সঙ্গে তাঁর আগামী ক্লাবেই যেতে পারেন ইউসুফ, এমনই খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে দলে থাকতে পারেন কেভিন সিবিয়ে, রশিদরা। তাঁদেরকে বড় অঙ্কের প্রস্তাব দিতে পারে ইস্টবেঙ্গল। এমনকি, হাবাস নিজে দলের বিদেশী খেলোয়াড় নির্বাচনেও একটি বড় ভূমিকা পালন করবেন। তাঁর পছন্দের বিদেশীরা দলে আসতে পারেন তবে ময়দানে কান পাতলে শোনা গিয়েছে, কেভিন ও রশিদকে নিয়ে সন্তুষ্ট প্রাক্তন বাগানের বস।
দীর্ঘ ২২ বছরের খরা কাটিয়ে অবশেষে কোনও জাতীয় পর্যায়ের ট্রফি পেয়েছে লাল-হলুদ। স্বভাবতই, খুশি সমর্থকরা। তবে আগামী সিজনের জন্য উইন্ডো খোলা থাকলেও এখনও আইএসএল নিয়ে কোনও নিশ্চয়তা নেই। জিনিয়াস স্পোর্টসকে বিনিয়োগকারী হিসেবে মানতে নারাজ সব দলগুলি। তাই আবার সেই সবেধন নীলমনি এফএসডিএলই আবার ফিরে আসে কিনা, সেই দিকে নজর থাকবে সমর্থকদের। কিন্তু একথা বলতেই হয়, যদি সত্যিই হাবাস লাল-হলুদে আসেন, মানসিক ভাবে এই দলের শক্তি অনেকটাই বাড়বে।