
ব্রাজিল – ২ (ক্যাসেমিরো, মার্টিনেলি) : জাপান – ১ (সানো)
হিউস্টন : এই ব্রাজিলকেই (Brazil) দেখার জন্য গোটা রাত জেগে থাকেন ফুটবল সমর্থকরা। এই ব্রাজিলকেই দেখতে পাড়ি দেওয়া যায় কয়েক হাজার মাইল। নেইমার (Neymar JR.) না থাকা সত্ত্বেও যে এই ব্রাজিল কতটা সফল হতে পারে, তা জানতেই দেখা যায় ব্রাজিলের খেলা। তবে, মঙ্গল রাতে ব্রাজিল যে খেলাটা দেখাল, তাতে তাদের প্রশংসা না করে উপায় নেই। জাপানের (Japan) বিরুদ্ধে ১-০ পিছিয়ে ২-১ জিতে রাউন্ড অফ ১৬তে (Round of 16) পৌঁছে গেল সেলেকাওরা।
জাপানের থেকে ব্রাজিল ধারে-ভারে অনেকটাই এগিয়ে। কিন্তু তবুও প্রথমার্ধে ব্রাজিলের উপর বারবার চাপ দিচ্ছিল এশিয়ার দৈত্যরা। ২৯ মিনিটে এগিয়ে যায় জাপান। মাঝমাঠ থেকে উপরে উঠে অনেকটা ভিতরে একা ঢুকে পড়েন তিনি। তারপর নিচু শটে গোল করে দেন সানো। ব্রাজিল গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার ঝাঁপিয়েও বল ধরতে পারেননি। এই গোলই সানোর জাপানের জার্সিতে প্রথম গোল। প্রথমার্ধে ১-০ এগিয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরে ব্রাজিল।
দ্বিতীয়ার্ধে খেলায় ফেরে ব্রাজিল। লুকাস পাকুয়েতার বদলে মাঠে আসেন এন্ড্রিক। তারপর থেকেই যেন খেলায় ফেরে ব্রাজিল। গ্যাব্রিয়েল মার্গেলহাসের ক্রস থেকে হেডে ৫৫ মিনিটে গোল করেন ক্যাসেমিরো। এই গোলের ফলে তিনি ব্রাজিলের জার্সিতে দ্বিতীয় বয়স্ক গোলদাতা হয়ে গেলেন। এরপর থেকেই বারবার জাপান বক্সে আক্রমণ শানাতে থাকে ব্রাজিল। ম্যাথিউজ কুনহার বদলে মাঠে আসেন মার্টিনেল্লি। কিন্তু ভিনিসিয়াস, গ্যাব্রিয়েলদের সব আক্রমণই কোথাও গিয়ে নিষ্ফলা হয়ে যাচ্ছিল। দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ের শেষার্ধে গিয়ামারাসের থেকে বল পান মার্টিনেল্লি। জাপানের গোলরক্ষকের সামনে গিয়েও বল জালে ঠেলে দিতে ভুল করেননি আর্সেনালের এই লেফট উইঙ্গার। দুরন্ত কামব্যাক করে ম্যাচ জিতে নিল ব্রাজিল।
এই ম্যাচে জয়ের পর রাউন্ড অফ ১৬-তে পৌঁছে গেল সেলেকাওরা। তাদের পরবর্তী ম্যাচ ৬ জুলাই, রাত দেড়টায়। আইভরি কোস্ট বনাম নরওয়ে ম্যাচের বিজয়ীর সঙ্গে রাউন্ড অফ ১৬তে খেলবে ব্রাজিল। আজকের ম্যাচে খেলেননি নেইমার। গোটা ম্যাচ বেঁচে বসেই দেখলেন তিনি। রাউন্ড অফ ১৬-র ম্যাচে কি খেলবেন নেইমার? সেই উত্তরের জন্যই আগ্রহী ফুটবলবিশ্ব।