
ঘরের মাঠে ওয়ান ডে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছিলেন। তার আগের দুটি বিশ্বকাপেও। কিন্তু সামিকে এক নম্বর চয়েস কখনোই রাখা হয়নি, ব্যাক আপ হিসেবেই ধরা হয়। সামি অবশ্য তা নিয়ে কোনও আক্ষেপ দেখাননি। বরং যখনই সুযোগ এসেছে পারফর্ম করেছেন। গত ওয়ান ডে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরই চোটের কারণে ছিটকে গিয়েছিলেন। প্রত্যাবর্তনটা খুবই কঠিন ছিল। একের পর এক সিরিজ কেটেছে, অপেক্ষাও দীর্ঘ হয়েছে। অবশেষে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন। আর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শুরুতেই ফাইফার। সাংবাদিক সম্মেলনে যা বলছেন সামি…।
আইসিসি টুর্নামেন্টে সফল বোলার সামি বলছেন, ‘আইসিসির প্রতিযোগিতায় নামলে আমার মাথায় একটা বিষয় ঘোরে, রান গেলেও আমি যেন উইকেট নিতে পারি। কারণ, টিমের জন্য সেটাই বেশি জরুরি। সবসময়ই এমনটা ভাবি।’ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অভিযান শুরুর ম্যাচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ১০ ওভারে ৫৩ রান দিয়েছেন সামি। মনে হতেই পারে, এ তো অনেক বেশি। কিন্তু উইকেট কলামেও পাঁচ রয়েছে। নতুন বলে দুর্দান্ত স্টার্ট করেছিলেন। যে কারণে বাংলাদেশকে শুরুতেই ব্যাকফুটে ঠেলে দেওয়া গিয়েছিল।
ওডিআই বিশ্বকাপ এবং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি দুটো টুর্নামেন্টেই ভারতের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে ফাইফারের কৃতিত্ব রয়েছে সামির। প্রায় ১৪ মাস পর ক্রিকেটে ফিরেছিলেন। ওডিআই ফরম্যাটে আইসিসি টুর্নামেন্টে সব মিলিয়ে ৬০ উইকেট! ভারতের প্রাক্তন পেসার জাহির খানকে ছাপিয়ে গিয়েছেন। প্রত্যাবর্তন নিয়ে সামি বলছেন, ‘সততার সঙ্গে পরিশ্রম করেছি, নিজের দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করেছি। সাফল্যের খিদেটা রয়েছে। সারাক্ষণ এটাই ভেবে এসেছি, কাভাবে দ্রুত ছন্দে ফিরব।’ শুরুতেই পাঁচ উইকেট। বুমরার অনুপস্থিতিতে ভারতকে বড় স্বপ্ন দেখাচ্ছেন সামি।