
প্রথম বার ধোঁকা খেয়েছিলেন বিরাট কোহলি। ডাগ আউট থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন। ফিরে যেতে হয় আবারও। মাঠে তখন চূড়ান্ত নাটকের মুহূর্ত। লোকেশ রাহুল খাতা খোলার অপেক্ষায় ছিলেন। প্রথম পরিবর্ত বোলার হিসেবে আক্রমণে আসেন স্কট বোল্যান্ড। দ্রুতই উইকেটের খাতাও খুলতে যাচ্ছিলেন। কট বিহাইন্ডের আবেদন ওঠে। সেলিব্রেশনও শুরু করে দেন অজি ক্রিকেটাররা। আম্পায়ার রিচার্ড ইলিংওর্থ নো-বলের সিগন্যাল দেন। ওভার স্টেপিংয়ের জন্য নো বল। স্নিকোতে পরে দেখা যায়, কোনও স্পাইক নেই। বাউন্ডারি লাইন থেকে ফেরেন বিরাট কোহলি।
লোকেশ রাহুল এবং শুভমন গিল যে ভাবে ব্যাট করছিলেন তাতে রোহিত শর্মা দূর অস্ত, বিরাট কোহলিকেও প্রথম সেশনে ব্যাট হাতে নামতে হবে, এমনটা ভাবনায় আসেনি। স্কট বোল্যান্ডের যে ওভারে কট বিহাইন্ডের যে ওভারে নো-বল নাটক, কয়েক বলের ব্যবধানে স্লিপে ক্য়াচও ওঠে। কিন্তু মিস হয়। রাহুল আরও একটা জীবন পান। দুটি ধাক্কা কাটিয়ে দুর্দান্ত ছন্দে। কিন্তু তৃতীয় বার আর হল না। রাহুল ৩৭ রানে ফিরতেই ক্রিজে প্রবেশ কিং কোহলির।
অ্যাডিলেডে টেস্টের এক দিন ৩৬ হাজার দর্শক! যা রেকর্ড সংখ্যা। বিরাট কোহলি ক্রিজে নামছেন, গ্যালারিতে গর্জন হবে না! মিচেল স্টার্কের প্রথম ডেলিভারিই খেলেন মাঝব্যাটে। অজি গ্যালারিও তখন বিরাট কোহলির সমর্থক। পারথের দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন। এখানেও একটা দীর্ঘ ইনিংসের অপেক্ষা ছিল। কিন্তু ৭-৮-৯’এর ফাঁদে বিরাট কোহলি।
স্টার্ক নতুন ওভারে আক্রমণে আসতেই আউট বিরাট। পারথের প্রথম ইনিংসে এক্সট্রা বাউন্সে অস্বস্তিতে পড়েছিলেন। আউটও হয়েছিলেন। অ্যাডিলেডে প্রথম ইনিংসেও তাই। ৯ মিনিট ৮ বল ৭ রান। স্টার্কের এক্সট্রা বাউন্সে স্লিপে স্টিভ স্মিথের ক্যাচ। ৯ মিনিটেই শেষ বিরাট দর্শন।