
গত বছর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। তার আগে ২০২৩ সালে ঘরের মাঠে ওয়ান ডে বিশ্বকাপে সব ম্যাচ জিতে ফাইনালে উঠেছিল। যদিও ট্রফি জেতা হয়নি। শেষ বার ২০১১ সালে ঘরের মাঠেই ওয়ান ডে বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। ওয়ান ডে ফরম্যাটে শেষ আইসিসি ট্রফি ছিল ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। এ বারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতে আইসিসি ওডিআই ট্রফির খরা কাটিয়েছে ভারতীয় দল। নজরে এ বার ২০২৭ সালের ওয়ান ডে বিশ্বকাপ। তার প্রস্তুতি হবে কী ভাবে?
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের রমরমায় ওয়ান ক্রিকেট কার্যত মৃতপ্রায়। ২০২৭ ওয়ান বিশ্বকাপের আগে দ্বিপাক্ষিক সিরিজেও তাই কম গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এই ফরম্যাটকে। আগামী বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ রয়েছে। বেশির ভাগ টিমেরই নজর এই ফরম্যাটে যত বেশি ম্যাচ খেলার। ওয়ান ডে ফরম্যাটে আইসিসি ট্রফিতে ভারতের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স স্বপ্ন দেখাচ্ছে আরও একটা বিশ্বকাপের। আইসিসি ওডিআই টুর্নামেন্টে গত ২৪টির মধ্যে ২৩টি ম্যাচই জিতেছে ভারত। একমাত্র হার গত বিশ্বকাপ ফাইনালে। গত বছর ওডিআইতে মাত্র তিনটি ম্যাচ খেলেছিল। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ। এই ছিল প্রস্তুতি।
আগামী ওয়ান ডে বিশ্বকাপের আগে এই ফরম্যাটে ভারতের কী কী সিরিজ রয়েছে দেখে নেওয়া যাক। ২০২৭ সালের ওয়ান ডে বিশ্বকাপ মিলিত ভাবে আয়োজন করবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে ও নামিবিয়া। এ বছরের অগস্ট-সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফরে যাবে ভারত। সেখানে তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ রয়েছে। বছরের শেষে ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ থাকছে।
নতুন বছরের শুরুতে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ রয়েছে ভারতের। এরপর শ্রীলঙ্কার সঙ্গে যুগ্মভাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করবে ভারত। ২০২৬-এর জুনে ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম বার ওডিআইতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলবে ভারত। ২০২৬-এর জুলাইতে ইংল্যান্ডের মাটিতে তিনটি ওডিআই রয়েছে। এরপর সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং এরপর নিউজিল্যান্ডে ওডিআই সিরিজ রয়েছে। এখানেই শেষ নয়। ২০২৭ ওডিআই বিশ্বকাপের আগে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে সিরিজ খেলবে ভারত।