
কিছুক্ষণের জন্য চোখ বন্ধ করুন। দীর্ঘ নিঃস্বাস নিন। ছাড়ুন। নিজেকে মানসিক ভাবে প্রস্তুত করে নিন। কারণ, মহেন্দ্র সিং ধোনির এই ক্যাচ দেখে চোখ ছানাবড়া হতেই পারে। বয়স শুধুই সংখ্যামাত্র। ঠিক কত হাজার বার ব্যবহার হয়েছে এই লাইন, বলা কঠিন। ধোনির ক্ষেত্রে আরও একবার ব্যবহার করলে ক্ষতি নেই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন অনেক আগেই। সারা বছর খেলার মধ্যে থাকেন না। তারপরও এই ক্যাচ! বিস্তারিত জেনে নিন TV9 Bangla Sports-এর এই প্রতিবেদনে।
এ বারের আইপিএলের বোধন হয়েছিল চেন্নাইতে। তার আগে প্রচুর জল্পনা ছিল মহেন্দ্র সিং ধোনি খেলবেন কিনা। এই জল্পনা আরও বাড়ে, ক্যাপ্টেন্স ফটোসেশনের আগে মহেন্দ্র সিং ধোনি চেন্নাই সুপার কিংসের ব্যাটন তুলে দেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে। জল্পনা বাড়তে থাকে, তা হলে কি অন্য কোনও ভূমিকায় দেখা যাবে মাহিকে? প্রথম ম্যাচের আগে একটা ব্যতিক্রমী বিষয় দেখা গিয়েছিল। মহেন্দ্র সিং ধোনি কিপিং ড্রিল করছেন!
উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। ওয়ার্ম আপে দেখা যায় ধোনিকে কিপিং ড্রিল করতে। ম্যাচে নামার আগে সাধারণত তিনি এমনটা করেন না। যেটা দেখতে অভ্যস্থ নন কেউ, এমন কিছু দেখলে অবাক হওয়ারই কথা। মাহির পুরো ফোকাস যে এখন উইকেটের পিছন থেকেই লিড করায়, পরিষ্কার হয়ে যায়। প্রথম ম্যাচে ব্যাট হাতে নামতে হয়নি তাঁকে। দ্বিতীয় ম্যাচেও নামলেন না। ব্যাটিংয়ে সুযোগ পেলেন তরুণ সেনসেশন সমীর রিজভি।
ম্যাচের যাবতীয় আলো তবু মাহির দিকেই। আর সেটা কিপার মাহিতে। তাঁর বিদ্যুৎগতির স্টাম্পিং তরুণ প্রজন্মের কাছে উদাহরণ। এ দিন ড্যারেল মিচেলের বোলিংয়ে বিজয় শঙ্কর ড্রাইভ করতে গিয়েছিলেন। যদিও টাইমিং হয়নি। ব্যাটে বড় রকমের এজ হয়। ২.২৭ মিটার স্ট্রেচ করে দু-হাতে ক্যাচ নেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। রিফ্লেক্স, পজিশন, অনুমান, সব নিখুঁত না হলে এমন ক্যাচ নেওয়া সম্ভব নয়।