
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রচুর ভারতীয় রয়েছেন। সেটা ভারতের প্রথম ম্যাচেই দেখা গিয়েছে। তেমনই আমেরিকা ক্রিকেট টিমেও। পাকিস্তানকে সুপার ওভারে হারানোর নায়ক সৌরভ নেত্রভালকরও ভারতীয় বংশোদ্ভূত। আমেরিকার বিরুদ্ধে বোর্ডে লড়াই করার মতোই স্কোর গড়েছিল পাকিস্তান। আমেরিকার টার্গেট ছিল ১৬০। পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণ বিশ্বের অন্যতম সেরা। বাঁ হাতি পেসার মহম্মদ আমিরের অভিজ্ঞতা কিংবা দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার জায়গা নেই। তেমনই শাহিন আফ্রিদি, নাসিম শাহ, হ্যারিস রউফের মতো বিশ্বমানের পেসার।
বোর্ডে বড় রানের পুঁজি নিয়েও অবশ্য আমেরিকার বিরুদ্ধে বাজিমাত করতে পারেনি পাকিস্তান। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। আমেরিকা প্রথমে ব্যাট করে ১৯ রানের টার্গেট দেয়। পাকিস্তান ১ উইকেটে ১৩ রান তোলে। এই বিশ্বকাপের প্রথম অঘটনও বলা যায়। অঘটন বলার কারণ, কাগজে কলমে দু-দলের ফারাক। আমেরিকা ক্রিকেটে ততটা জনপ্রিয় নয়। প্রথম বার বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলছে। তাদের কাছেই হার।
পাকিস্তানকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের বন্যা। কোথাও বাবর আজমকে টেস্ট জার্সিতে দেখানো হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে ৪৪ রান করলেও স্ট্রাইকরেট ১০০-র সামান্য বেশি। যা একেবারেই টি-টোয়েন্টির মতো নয়। দলের আর এক তারকা ব্যাটার মহম্মদ রিজওয়ান ৮ বলে ৯ রানে ফিরেছেন। ফখর জামান ৭ বলে ১১। তারকা ব্যাটারদের ব্যর্থতার জেরেই চাপে পড়ে পাকিস্তান।
বোলিংয়েও একই হাল হয়। আমেরিকা শুরু থেকেই ম্যাচে ছিল। একটা সময় ৪৫ বলে ৫৬ রান প্রয়োজন ছিল। তখনও মনে হয়েছিল, নির্ধারিত ২০ ওভারের মধ্যেই জিতবে। সুপার ওভারে গড়ালেও জিতেই মাঠ ছেড়েছে আমেরিকা। পাকিস্তানকে খোঁচা দিয়ে একজন লিখেছেন, ‘পরিস্থিতিটা এমন যেন USA বলে ভারতের বি-টিমের সঙ্গে খেলতে হয়েছে।’ এমন অনেক মিমই ঘুরছে।