
ঘরের মাঠে মরসুমের প্রথম ম্যাচে। মরসুমের শুরু থেকেই সমর্থকদের বিদ্রুপের শিকার হার্দিক। গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচ, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মাঠেও। টস থেকে শুরু করে ম্যাচের সারাক্ষণই রোহিত ধ্বনিতে বিদ্রুপ করা হয়েছে হার্দিককে। ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচে তাই সমর্থকদের মন জেতাও লক্ষ্য ছিল হার্দিকের। এর জন্য মঞ্চ প্রস্তুতও ছিল। তার অন্যতম কারণ বোল্টের শুরুর স্পেল।
পর পর উইকেট হারিয়ে চাপ বাড়তে থাকবে মুম্বই শিবিরে। টসের সময়ও ওয়াংখেড়ের গ্যালারি বিদ্রুপ করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ক্যাপ্টেন হার্দিক পান্ডিয়াকে। এই বিষয়টা দীর্ঘ সময়ের জন্য যা কাম্য নয়। আর এখানেই হার্দিকের কাছে সেরা সুযোগ ছিল ব্যাট হাতে দুর্দান্ত একটা ইনিংস খেলা এবং সমর্থকদের গুডবুকে নাম লেখানোর। শুরুটাও দুর্দান্ত করেছিলেন হার্দিক। সেট হয়েও বড় ইনিংস এল না হার্দিকের ব্যাটে। তবে দলের হয়ে সর্বাধিক স্কোর তাঁরই।
একটা সময় মনে হয়েছিল, আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সর্বনিম্ন স্কোরের রেকর্ড না ভেঙে যায়। মুম্বইয়ের সর্বনিম্ন স্কোর ৮৭। হার্দিক পান্ডিয়া-তিলক ভার্মা জুটির সৌজন্যে সেই লজ্জা বাঁচানো যায়। এই দু-জন আউট হতেই ফের চাপ বাড়ে মুম্বই শিবিরে। শেষ অবধি নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৫ রান তুলল মুম্বই। রাজস্থানের হয়ে তিনটি করে উইকেট ট্রেন্ট বোল্ট ও যুজবেন্দ্র চাহালের। দুটি উইকেট নিয়েছেন নান্দ্রে বার্গার।
প্রথম ইনিংসে ওয়াংখেড়ের পিচ যা আচরণ করেছে, তেমনটাই থাকলে এই স্কোর নিয়েও লড়াই হতে পারে। জসপ্রীত বুমরা, জেরাল্ড কোৎজে, আকাশ মাধওয়ালরা কতটা ভরসা দিতে পারেন মুম্বইকে, সেটাই দেখার। নজর থাকবে ক্যাপ্টেন হার্দিক পান্ডিয়ার দিকেও।