
কলকাতা: বিতর্ক যেন মিটেও মিটছে না। ফ্র্যাঞ্চাইজির তরফে পরিষ্কার বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, কেন বদল আনা হয়েছে। কোচ পর্যন্ত যুক্তি দিয়ে বুঝিয়েছেন সমর্থকদের। তাও রোহিত শর্মাকে ছাঁটাই করা মেনে নিতে পারছেন না তাঁর ভক্তরা। সেই তালিকায় প্রাক্তন ক্রিকেটাররাও রয়েছেন। তাঁদেরই একজন পরিষ্কার বলে দিচ্ছেন, হার্দিক পান্ডিয়াকে এখনই নেতা না করলেই পারত মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। রোহিতকে (Rohit Sharma) আরও একটা একটা বছর সময় দেওয়া উচিত ছিল। এই আইপিএল মরসুমে রোহিতের ডেপুটি করা উচিত ছিল হার্দিককে। আসলে হঠাৎ করে রোহিতকে ছেঁটে ফেলায় সমর্থকদের মধ্যে প্রবল প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। সেখান থেকে বেরিয়ে আসার জন্য মুম্বই অনেক যুক্তি খাড়া করেছে ঠিকই, কিন্তু কোনওটাই ধোপে টিকছে না। কোন প্রাক্তন এ বার ব্যাট ধরলেন?
ইনিং যুবরাজ সিং। যিনি রোহিতের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের ভক্ত। ২০০৭ সালে দু’জন একসঙ্গে জিতেছিলেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। যুবিও অ্যাটাকিং ব্যাটারই ছিলেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ছয় বলে ছ’টা ছক্কাও মেরেছেন। সেই যুবি এ বার স্টেপ আউট করে ছয় মারলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকেই। ওই টিমে এক সময় তিনি খেলেছেন। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে খুল্লামখুল্লা যুবরাজ বলে দিয়েছেন, ‘রোহিত কিন্তু পাঁচ বারের আইপিএলজয়ী ক্যাপ্টেন। ওকে সরিয়ে দেওয়া নিশ্চিত ভাবেই বড় ঘটনা। আমি যদি সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় থাকতাম, তা হলে হার্দিকের মতো কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার আগে আর একটা মরসুম রোহিতকেই ক্যাপ্টেন রাখতাম। হার্দিককে ওর ডেপুটি হিসেবে এ বারের আইপিএলটা খেলতে বলতাম। আমি ফ্র্যাঞ্চাইজির দিকটা বুঝতে পারছি। ওরা ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার পরও বলব, রোহিত ভারতের ক্যাপ্টেন। খেলছেও ভালো। সে দিক থেকে দেখলে বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে মুম্বই।’
এ বারের আইপিএলে এটাই সবচেয়ে বড় চর্চার বিষয় হতে চলেছে। হার্দিক এবং তাঁর টিম যতবার ব্যর্থ হবে, তত বারই কথা হবে তাঁকে নিয়ে। বলা হবে ভুল সিদ্ধান্ত নিল মুম্বই। হার্দিক প্রতিভাবান ক্রিকেটার। কিন্তু গুজরাট টাইটান্সের মতো নতুন টিম সামলানো আর মুম্বইয়ের ক্যাপ্টেন্সি করা এক নয়। যুবির কথায়, ‘ওর প্রতিভা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু গুজরাটের ক্যাপ্টেন্সি করা আর মুম্বইয়ের নেতৃত্ব দেওয়া এক নয়। মুম্বইয়ে কিন্তু প্রত্যাশার চাপ মারাত্মক থাকবে। তার কারণ একটাই, মুম্বই টিম হিসেবে অনেক বড়।