
কলকাতা: স্বস্তির নিঃস্বাস কি ফেলা যায়? অন্তত চোট ঘিরে যে আশঙ্কার কালো মেঘ ছড়িয়েছিল, তা কিছুটা হলেও কাটতে চলেছে, এমনটা বলাই যায়। তবে, অনিশ্চয়তা কেটে যাচ্ছে, তা অবশ্য জোর দিয়ে বলা যাচ্ছে না। আইপিএলের আগে কেকেআর ভক্তদের জন্য ভালো খবর, খুব শিগগিরি টিমের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন শ্রেয়স আইয়ার (Shreyas Iyer)। নাইটদের ক্যাপ্টেন রঞ্জি ট্রফির ফাইনাল খেলতে ব্যস্ত ছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ৯৫ করে আউট হয়েছেন। তখনই তাঁর কোমরের পুরনো চোট আবার মাথাচাড়া দিয়েছিল। পরের দুটো দিন তাঁকে ফিল্ডিং করতেও দেখা যায়নি। যা নিয়ে আশঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন কেকেআরের ভক্তরা। সেই দুশ্চিন্তা কিছুটা হলেও কাটতে চলেছে, তা বলা যায়।
কোমরের চোটের কারণেই গত মরসুমে আইপিএলে খেলতে পারেননি শ্রেয়স। অস্ত্রোপচারও করাতে হয়েছিল। চোট সারিয়ে আবার ছন্দে দেখা গিয়েছিল ওয়ান ডে বিশ্বকাপের সময়। কিন্তু ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে আবার চোট পেয়েছিলেন। এনসিএতে গিয়ে ফিট হয়েছেন। সেই তিনিই আবার রঞ্জি খেলার সময় চোট পেতে দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, চোট কি পুরোপুরি সেরেছে তাঁর? একই সঙ্গে অবশ্য মুম্বই ৪২তম রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ঢোলের তালে তালে নাচতে দেখা গিয়েছিল শ্রেয়সকে। তখন অনেকেই বলেছিলেন, চোট গুরুতর নয়। আইপিএলের শুরু থেকেই খেলতে পারবেন কলকাতার ক্যাপ্টেন।
আপাতত একটাই প্রশ্ন শ্রেয়সকে ঘিরে, কবে কেকেআরের শিবিরে যোগ দেবেন? আজ থেকেই কলকাতায় শুরু হয়ে যাচ্ছে কেকেআরের আইপিএলে চূড়ান্ত প্রস্তুতি। ২৩ মার্চ ঘরের মাঠে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ। আশা করা যাচ্ছে দু-একদিনের মধ্যেই টিমের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি। তাঁকে ঘিরে আশার আলো একটাই, এনসিএ-তে আবার যাচ্ছেন না রিহ্য়াব বা চিকিৎসকদের দেখানোর জন্য। তার অর্থই হল, শ্রেয়সের চোট তেমন গুরুতর নয়। তার অবশ্য একটা কারণও থাকছে। বোর্ডের বার্ষিক চুক্তির আওতায় না থাকার কারণে এনসিএ-তে গেলে বিনা খরচায় চিকিৎসার সুযোগ পাবেন না শ্রেয়স। মুম্বই ক্রিকেট সংস্থার মাধ্যমেই তাঁকে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে যেতে হবে।