
মাঠের ডানদিক থেকে আক্রমণ করছে সবুজ-মেরুন। ইতিমধ্যেই বাগান দল বেশ কিছু আক্রমণ করলেও ইস্টবেঙ্গল দলের ডিফেন্স আপাতত কোনও ভুল করেনি।
আজকের ম্যাচে রেফারিং করছেন আদিত্য পুরকায়স্থ। এই মুহূর্তে ৯ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন আলাদিন আজারাই (নর্থইস্ট ইউনাইটেড)। ৭ গোল করে দ্বিতীয় স্থানে এসসি দিল্লির রদ্রিগো। ৫ গোল করে তৃতীয় স্থানে আছেন মোহনবাগানের সাহাল আব্দুল সামাদ।
বিশাল কাইথ, শুভাশিস বসু (অধিনায়ক) রাহুল ভেকে, অনিরুদ্ধ থাপা, সমীর জেলকোভিচ, আলবার্তো রদ্রিগেজ, অভিষেক টেকচ্যাম সিং, মণবীর সিং, লিস্টন কোলাসো, আপুইয়া, জেমি ম্যাকলারেন
কোচ – প্যানজিওটিস দিলমপেরিস
প্রভসুখন গিল, মহম্মদ রশিদ (অধিনায়ক), জয় গুপ্তা, বিপিন সিং, সন্দীপ মান্ডি, এডমুন্ড, দানি রামিরেজ, আনোয়ার আলি, জিকসন সিং, লালচুংনুঙ্গা, হার্দিক ভাট
কোচ – আন্তোনিও লোপেজ হাবাস
২০২৩ সালের পর আবার ৩ বছর পর ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। ফাইনালে শেষ সাক্ষাতে জিতেছিল মোহনবাগান। গোল করেছিলেন বাগানের দিমিত্রি পেত্রাতোস। এই বছরেও ডুরান্ড কাপ শুরু হয়েছিল ডার্বি ম্যাচ দিয়েই। সেই ম্যাচে ১-০ জিতেছে সবুজ-মেরুন। গোল করেছিলেন সাহাল আব্দুল সামাদ। আজ কী ইস্টবেঙ্গল বদলা নিতে পারবে? নাকি আজকেও জিতবে মোহনবাগান? ডুরান্ড কাপ ইতিহাসে ১৭ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সবুজ মেরুন। ১৬ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে লাল-হলুদ। আজ জিতবে কে? মোহনবাগান নাকি ইস্টবেঙ্গল?