
২০২৩ সালের পর আবার ৩ বছর পর ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। ফাইনালে শেষ সাক্ষাতে জিতেছিল মোহনবাগান। গোল করেছিলেন বাগানের দিমিত্রি পেত্রাতোস। এই বছরেও ডুরান্ড কাপ শুরু হয়েছিল ডার্বি ম্যাচ দিয়েই। সেই ম্যাচে ১-০ জিতেছে সবুজ-মেরুন। গোল করেছিলেন সাহাল আব্দুল সামাদ। আজ কী ইস্টবেঙ্গল বদলা নিতে পারবে? নাকি আজকেও জিতবে মোহনবাগান? ডুরান্ড কাপ ইতিহাসে ১৭ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সবুজ মেরুন। ১৬ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে লাল-হলুদ। আজ জিতবে কে? মোহনবাগান নাকি ইস্টবেঙ্গল?
৩ লক্ষ টাকার আর্থিক পুরস্কার পেলেন এডমুন্ড। ডুরান্ড কাপ রানার্স হওয়ার ফলে ৬০ লক্ষ টাকা পুরস্কার পেল মোহনবাগান। চ্যাম্পিয়ন হয়ে ইস্টবেঙ্গল পেল ১ কোটি ২১ লক্ষ টাকা।
খেলা শেষ। একাধিক সুযোগ সত্ত্বেও জিততে পারল না মোহনবাগান। ২০০৪ সালের পর আবার ডুরান্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন হল ইস্টবেঙ্গল। ৪-১ গোলে সবুজ মেরুনকে উড়িয়ে দিল লাল-হলুদ।
৯০ মিনিট অতিক্রান্ত, ৫ মিনিট অতিরিক্ত সময় দিলেন রেফারি।
৮৫ মিনিট অতিক্রান্ত। এখনও ৪-১ এগিয়ে লাল-হলুদ। ক্রমাগত আক্রমণ করছে মোহনবাগান কিন্তু কিছুই যেন আজ ক্লিক করছে না বাগানের।
আর বাকি ১৫ মিনিট। ইতিমধ্যেই গ্যালারিতে হাজার হাজার মোবাইলের ফ্ল্যাশ জ্বালিয়েছেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। ২২ বছর পর ডুরান্ড কাপ জয় থেকে মাত্র ১৫ মিনিট দূরে ইস্টবেঙ্গল।
৭১ মিনিট অতিক্রান্ত। উঠে গেলেন আজকের হ্যাটট্রিক হিরো এডমুন্ড। তাঁর বদলে দলে এলেন জেসিন টিকে। একই সঙ্গে দানি রামিরেজের বদলে মাঠে আনা হল মহম্মদ আসিফকে।
৪-১ গোলে পিছিয়ে থাকলেও বল পজেশন বেশি মোহনবাগানের। ৬০-৪০ এগিয়ে সাহালরা। কিন্তু এখন দরকার গোল। ৬৫ মিনিট অতিক্রান্ত।
৬২ মিনিট খেলা অতিক্রান্ত। এখনও ৪-১ এগিয়ে লাল হলুদ। এর মধ্যেই আরও ৩ বদল করল মোহনবাগান। তুলে নেওয়া হল লিস্টন কোলাসো, আপুইয়া, অনিরুদ্ধ থাপাকে। নামানো হল কিয়ান নাসিরি, সাহাল আব্দুল সামাদ, দীপক টাংরিকে।
রশিদকে ফাউল করার ফলে হলুদ কার্ড দেখানো হল আপুইয়াকে। ধীরে ধীরে ডিফেন্স জমাট করছে লাল-হলুদ ব্রিগেড।
প্রথম বদল করল মোহনবাগান। সমীর জেলকোভিচকে তুলে কোচ নামালেন মিগুয়েলকে।
এত খারাপ অবস্থা শেষ কবে হয়েছে মোহনবাগানের? প্রথমার্ধে ভয়ানক অবস্থার পর শুরু হল দ্বিতীয়ার্ধ। কামব্যাক করতে পারবে মোহনবাগান?
প্রথমার্ধ শেষ। ভয়াবহ দুরবস্থা মোহনবাগানের। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করলেন এডমুন্ড লালরিন্ডিকা। ৪৫ মিনিটের পর ৪-১ গোলে এগিয়ে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল। আজ কি ভেঙে যাবে ৫ গোলের রেকর্ড?
৪৪ মিনিটেই হ্যাটট্রিক করে ফেললেন এডমুন্ড। ৪-১ এগিয়ে গেল ইস্টবেঙ্গল!
অবশেষে গোল পেল মোহনবাগান। গোল করলেন মণবীর সিং। স্কোর ৩-১।
ফাঁকা বক্স, বাজে ডিফেন্স বাগানের। ফল? এডমুন্ডের জোড়া গোলে ২৪ মিনিটে ৩-০ এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল।
২০ মিনিটের মাথায় দুরন্ত ফ্রি কিক বাঁচালেন লাল-হলুদ গোলকিপার গিল। বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক পেয়েছিল মোহনবাগান। লিস্টন কোলাসোর শট সেভ করলেন লাল-হলুদ গোলকিপার।
১০ মিনিটের মাথায় দুর্দান্ত গোল পেলেন বিপিন সিং। ম্যাচে এগিয়ে গেল ইস্টবেঙ্গল। এর ঠিক পরের মিনিটেই এডমুন্ডের জোরালো শট বাগান কিপার বিশালকে পরাস্ত করে ঢুকে গেল জালে। ১১ মিনিটের মধ্যে ২-০ গোলে এগিয়ে গেল ইস্টবেঙ্গল।
মাঠের ডানদিক থেকে আক্রমণ করছে সবুজ-মেরুন। ইতিমধ্যেই বাগান দল বেশ কিছু আক্রমণ করলেও ইস্টবেঙ্গল দলের ডিফেন্স আপাতত কোনও ভুল করেনি।
আজকের ম্যাচে রেফারিং করছেন আদিত্য পুরকায়স্থ। এই মুহূর্তে ৯ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন আলাদিন আজারাই (নর্থইস্ট ইউনাইটেড)। ৭ গোল করে দ্বিতীয় স্থানে এসসি দিল্লির রদ্রিগো। ৫ গোল করে তৃতীয় স্থানে আছেন মোহনবাগানের সাহাল আব্দুল সামাদ।
বিশাল কাইথ, শুভাশিস বসু (অধিনায়ক) রাহুল ভেকে, অনিরুদ্ধ থাপা, সমীর জেলকোভিচ, আলবার্তো রদ্রিগেজ, অভিষেক টেকচ্যাম সিং, মণবীর সিং, লিস্টন কোলাসো, আপুইয়া, জেমি ম্যাকলারেন
কোচ – প্যানজিওটিস দিলমপেরিস
প্রভসুখন গিল, মহম্মদ রশিদ (অধিনায়ক), জয় গুপ্তা, বিপিন সিং, সন্দীপ মান্ডি, এডমুন্ড, দানি রামিরেজ, আনোয়ার আলি, জিকসন সিং, লালচুংনুঙ্গা, হার্দিক ভাট
কোচ – আন্তোনিও লোপেজ হাবাস