
কলকাতা : একটা ম্যাচে কি না হল? প্রথমার্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্স, মাঝে বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ থাকা, দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গলের দুরন্ত কামব্যাক – সবই দেখতে পেলেন কলকাতার দর্শকরা। ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে কোনও রকমে জিততে জিততেও জিতল না বিসিএস। শেষ অবধি ৩-১ গোলে এগিয়ে থেকেও ৩-৩ ড্র করল বিসিএস।
টানা জয়ের লক্ষ্য ছিল আজ লাল-হলুদের। তবে বেহালা এসএস স্পোর্টিং আজ জিততে দিল না। এর ফলে টানা ৫ ম্যাচ জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হল লাল-হলুদের। আজ ছিলেন না পিভি বিষ্ণু ও জেসিন। এর ফলে শুরু থেকে একটু হলেও ব্যাকফুটে শুরু করেছিল লাল-হলুদ। আজ দলের নেতৃত্বে ছিলেন তন্ময় দাস। ৫ মিনিটের মাথায় এগিয়ে যায় বেহালা। দুরন্ত গোল করেন শ্লোক। এর ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভুল লাল-হলুদ ডিফেন্সের। ৩০ মিনিটের মাথায় সমতা ফেরায় লাল-হলুদ। আকাশ হেমব্রমের দুরন্ত ক্রস থেকে হেড করে গোল করেন বিজয় মুর্মু। এরপরেই আবার শুরু হয় বেহালা ম্যাজিক। আবার গোল করেন শ্লোক। যদিও এর কিছুক্ষন পরেই শুরু হয় আকাশভাঙা বৃষ্টি। বজ্রবিদ্যুৎ শুরু হওয়ায় ৪০ মিনিটের মাথায় ম্যাচ বন্ধ করে দেন রেফারি ও সিএফএল আধিকারিকরা। প্রায় আধ ঘন্টা খেলা বন্ধ থাকার পর আবার শুরু হয় ম্যাচ। কিন্তু গোল না হওয়ায় প্রথমার্ধে ২-১ এগিয়ে থাকে বেহালা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আবার গোল পেয়ে যায় বেহালা। দুরন্ত গোল করে যান সুখরাম সর্দার। এরপর বেহালার গোলকিপার বেশ কিছু দুরন্ত সেভ করেন কিন্তু ৬২ মিনিটের পর গোল পায় ইস্টবেঙ্গল। বেলালের গোলে ৩-২ করে ইস্টবেঙ্গল। তবে ৯১ মিনিটের পর আবার স্বপ্নভঙ্গ হয় বিএসএস ক্লাবের। এই সময়ে গোল করে সমতা ফেরান মনোতোষ মাজি। ফলে ৩-১ পিছিয়ে থেকেও ৩-৩ করে হারা ম্যাচ ড্র করে এল মশাল বাহিনী।
যদিও আজকের ম্যাচ নিয়েও বিতর্ক জারি রইল। বিএসএস এর আধিকারিকরা কম দিনে বেশি ম্যাচ নিয়ে অভিযোগ করেছেন। এর ফলে খেলোয়াড়রা পর্যাপ্ত অনুশীলন করতে পারছে না বলে অভিযোগ কর্তাদের। দিন কয়েক আগেই ৯ দিনে ৪ ম্যাচ খেলা নিয়ে তোপ দেগেছিলেন ব্যারেটো। এবার একই কথা বললেন বিএসএস ক্লাবের কর্তারাও।