
কলকাতা : গতকালই ডুরান্ড কাপের সেমিফাইনালে (Durand Cup 2026) পৌঁছে গিয়েছে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC)। আর্মির দলকে কোয়ার্টারে ১-০ হারিয়ে শেষ চারে লাল-হলুদ। তবুও খুশি নন লাল-হলুদ কোচ হাবাস (Antonio Lopez Habas)। কেন এত ঘনঘন ম্যাচ হচ্ছে, এই প্রশ্নই ম্যাচের পর সাংবাদিক বৈঠকে এসে করলেন তিনি। ডুরান্ড আয়োজকদের উপর হাবাস যে রীতিমতো বিরক্ত, তা স্পষ্ট হল তাঁর কথায়।
ম্যাচের পর হাবাস বললেন, “যে কোনও প্রতিযোগিতাতেই ট্রেনিং দরকার, উপযুক্ত সময় দরকার। কিন্তু এখানে? শুধু ম্যাচ চলছে। ম্যাচ ও পরের দিন রিকভারি সেশন। এমন করলে ম্যাচ খেলা সম্ভব? ট্রেনিংয়ে ব্যাঘাত ঘটা মানে তার প্রভাব ম্যাচে পড়ছে। গত সপ্তাহ এবং এই সপ্তাহ – দুবারই এক ঘটনা। শুধু ম্যাচ আর রিকভারি সেশন। ট্রেনিং হচ্ছে না। টানা ম্যাচ খেলে খেলে ফুটবলাররা ক্লান্ত। ১০ দিনের মধ্যে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে হয়েছে আমাদের। আমি জানি না এরকম সূচি করার অর্থ কী।”
তিতিবিরক্ত হাবাস আয়োজকদের স্টুপিড বলতেও দ্বিধা করলেন না। তাঁর কথায়, “কোয়ার্টার ফাইনালের পর আবার তিন দিনের মধ্যে সেমি ফাইনাল। ইয়ার্কি চলছে নাকি? এটা স্টুপিডের মতো আয়োজন। না তো এর ফলে ভাল করে খেলা যায়, না ভাল করে শরীর বিশ্রাম পায়। আগে ট্রেনিং দরকার। কোথায় শুনেছেন যে শুধু ম্যাচই খেলবে, কোনও ট্রেনিং ছাড়াই?”
গতকাল ১-০ জিতেছে ইস্টবেঙ্গল। একমাত্র গোলটি করেছেন পিভি বিষ্ণু। তবে চিন্তার বিষয়, প্রচুর সহজ গোলের সুযোগ মিস করেছেন ইস্টবেঙ্গলের প্লেয়াররা। এমন এমন সুযোগ সচরাচর মিস করা মানে গোটা মরশুম বাইরে বসে কাটিয়ে দেওয়া – ময়দানের প্রাচীন প্রবাদ এটাই। লাল-হলুদ গোলকিপার পূর্বা লাচেঙপা একটি ভুল করে ফেলেছিলেন, যার ফলে পেনাল্টি পেতে পেতেও পেল না আর্মি। কিন্তু যেহেতু ট্রেনিং নেই, অনুশীলনের পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়নি, তাই হাবাসের আশঙ্কা মাথায় রেখেই শেষ চারের ম্যাচের জন্য নামবে মশাল বাহিনী।