East Bengal vs Mohun Bagan: জমজমাট কলকাতা ডার্বি, সবুজ-মেরুনের বড়দের আটকে দিল লাল-হলুদের ছোটরা!

Calcutta Football League: কলকাতা লিগে শুরু থেকেই ভাল খেলছেন লাল হলুদের চাকু মান্ডি, গৌরব সাউ, মনোতোষরা। ইতিমধ্যেই দল সুপার সিক্সে উঠে গিয়েছে, ফলে ম্যাচের ফল নিয়ে বিশেষ চিন্তিত ছিল না লাল-হলুদ ব্রিগেড। তবে মোহনবাগানের কাছে এই ম্যাচ ছিল মর্যাদার। দিন কয়েক আগেই ডার্বিতে নাস্তানাবুদ হতে হয়েছে ইস্টবেঙ্গলের কাছে। তাও আবার ৪-১ গোলে।

East Bengal vs Mohun Bagan: জমজমাট কলকাতা ডার্বি, সবুজ-মেরুনের বড়দের আটকে দিল লাল-হলুদের ছোটরা!
৮ বছর পর বারাসতে কলকাতা ডার্বিImage Credit source: Facebook/Mohun Bagan Super Giant & East Bengal FC

| Edited By: Moumita Das

Sep 08, 2026 | 11:25 AM

ইস্টবেঙ্গল – ১ (বিলাল) : মোহনবাগান – ১ (মণবীর)

বারাসাত: ভাবা যায়, এই ম্যাচ নিয়ে নাকি এতো চর্চা। এতো সোশ্যাল মিডিয়াতে রণহুঙ্কার! কিন্তু আদপে যে ডুরান্ড হারের পর ছোটদের কাছেও এক প্রকার পরাস্ত হল মোহনবাগান, এটা যাঁরা ম্যাচ দেখেছেন তাঁরা মাত্রেই স্বীকার করবেন। নাহলে সিনিয়র মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিট দাঁতে দাঁত চেপে লড়ল ইস্টবেঙ্গল। শুধু লড়ল না, ম্যাচ না হেরে বাড়ি গেল। ড্র করে বাড়ি গেল। গোল খাওয়ার পর পাল্টা গোল করে বাড়ি গেল। এই মানসিক লড়াইয়ের জন্য কুর্নিশ জানাতেই হয় বিলালদের।

কলকাতা লিগে শুরু থেকেই ভাল খেলছেন লাল হলুদের চাকু মান্ডি, গৌরব সাউ, মনোতোষরা। ইতিমধ্যেই দল সুপার সিক্সে উঠে গিয়েছে, ফলে ম্যাচের ফল নিয়ে বিশেষ চিন্তিত ছিল না লাল-হলুদ ব্রিগেড। তবে মোহনবাগানের কাছে এই ম্যাচ ছিল মর্যাদার। দিন কয়েক আগেই ডার্বিতে নাস্তানাবুদ হতে হয়েছে ইস্টবেঙ্গলের কাছে। তাও আবার ৪-১ গোলে। এবার তাই ম্যাচ জেতার একটা বাড়তি তাগিদ ছিল মোহনবাগানের। কিন্তু কোথায় কী, কিছুই তো দেখা গেল না। রাহুল ভেকে, আপুইয়া, মণবীর সিং, সাহাল – কে না ছিলেন? কিন্তু সুযোগ পাওয়া আর সুযোগ পেয়ে গোল করা – দুটোর মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাৎ। দ্বিতীয় ভাগেই থমকে গেল মোহনবাগান।

দুর্দান্ত খেলেছেন তন্ময়, অঙ্কনরা। মোহনবাগানের বড় দলের বিরুদ্ধে ছোটদের লড়াই অসাধারণ। ৩৭ মিনিটে অঙ্কন ও গৌরবের যৌথ ভুলের খেসারত হিসেবে গোল খায় ইস্টবেঙ্গল। ডুরান্ড ডার্বির পর আবার গোল করেন মণবীর সিং। এর বাইরে সেভাবে কোনও ভুলই করেনি লাল-হলুদ। তবে ইস্টবেঙ্গলের দুর্ভাগ্য, তাদের বেশ কিছু শট গোলে ঢুকল না। কিন্তু ৬৫ মিনিটে কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে মাথা ছুইঁয়ে গোল করে গেলেন মহম্মদ বিলাল। এখানেই যেন থমকে গেল বাগান। চূড়ান্ত ব্যর্থ বাগানের আক্রমণ বিভাগ। ব্যর্থ সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ও। জার্সি বদলে এবার তিনি ছিলেন সবুজ-মেরুনে।

এই ম্যাচের পর সুপার সিক্সে খেলবে দুই প্রধান। সেখানে আর দেখা হবে না দুই দলের। এই পর্বে ৩টি করে ম্যাচ খেলবে দুটি দল। তবে একটা প্রশ্ন রয়ে গেল। মোহনবাগান যেভাবে সিনিয়র দলের কোচ প্যানোস দিলমপেরিসকে দিয়ে কোচিং করাল, লাল হলুদ দলের এত তাগিদ সেখানে ছিল না। এমনকি যে মুূহূর্তে লাল-হলুদ দলের কোচ হাবাস ইস্টবেঙ্গল মাঠে কোচিং করাচ্ছেন সিনিয়র দলকে, বাগান কোচ প্যানোস গ্যালারিতে রীতিমতো তিতিবিরক্ত। ইস্টবেঙ্গলের গর্বের বিষয়, তাদের হয়ে বাজিমাত করল স্রেফ দলের তরুণ বাঙালি ফুটবলাররা। এখনও তো আইএসএল শুরুই হয়নি, শুরু হলে মোহনবাগানের এই গোল মিস নামক রোগ সারবে তো? সামনে রাস্তা যে অনেক লম্বা!

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us