
চেন্নাই : দলীপ ট্রফির ফাইনালে দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন ঈশান কিষাণ। তাঁর করা ২৭০ রানের ইনিংসের জবাবে প্রথম ইনিংসে ৭০৮ রানের বিশাল স্কোর করেছে পূর্বাঞ্চল। চেন্নাইয়ের চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রথম দুদিন ব্যাট করে ক্রিজে দাপট দেখাল পূর্বাঞ্চল। এর ফলে বলা যায়, ঈশানের ইনিংস একপ্রকার ক্লান্ত করে দিয়েছে তিলক ভার্মা ও তাঁর বোলিং ইউনিটকে। তবে এরপরেই অনেকে প্রশ্ন তুলেছিলেন, ৫ দিনের ম্যাচে এতক্ষন ধরে ব্যাট করে ইস্ট জোন কি শেষ অবধি ২০ উইকেট তুলতে পারবে? তবে টুর্নামেন্টের নিয়ম মেনেই পরিকল্পনা করেছিলেন বৈভবরা, যা আসলেই তাঁদের সাফল্য এনে দিচ্ছে।
বিসিসিআই-এর লাল বলের নকআউট ম্যাচের নিয়ম অনুযায়ী, দলীপ ট্রফি বা রঞ্জি ট্রফির ফাইনাল ৫ দিন পর ড্র হলে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকা দলকেই বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সেই জন্যই এই মুহূর্তে দলীপ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দিকে অনেক এগিয়ে আছে পূর্বাঞ্চল। দক্ষিণাঞ্চলকে ম্যাচে টিকে থাকতে গেলে প্রথম ইনিংসে কমপক্ষে ৭০৯ রান করতে গেলে। যদি এর কম রানে দক্ষিণাঞ্চল অল আউট হয়ে যায় এবং ম্যাচ ড্র হয়ে যায়, তাহলে পূর্বাঞ্চল চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাবে। এই প্রতিবেদন লেখা অবধি দক্ষিণাঞ্চলের স্কোর ২০৬/৫। ৩৭ রানে অপরাজিত আছেন ক্যাপ্টেন তিলক ভার্মা।
পূর্বাঞ্চলের এই বিশাল স্কোরের মূল কারিগর হলেন ঈশান কিষাণ। ৩৩৪ বলে ২৭০ রানের ম্যারাথন ইনিংস খেলেছেন তিনি। এই ইনিংসের ফলে এক মরশুমে সব ফরম্যাটে সেঞ্চুরি করে ফেললেন ঝাড়খণ্ডের এই ক্রিকেটার। ২০২৪ সালে তাঁকে নিজেদের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ দিয়েছিল বিসিসিআই। কিন্তু এর পরেই নিজের ব্যাটিং নিয়ে পরিশ্রম করেছেন তিনি, যার প্রতিফলন চোখে পড়েছে দলীপ ফাইনালে।
ম্যাচ শেষ হতে এখনও বাকি ২ দিন। ইতিমধ্যেই ৫০৫ রানে পিছিয়ে আছে দক্ষিণাঞ্চল। হাতে আছে মাত্র ৫ উইকেট। স্রেফ ম্যাচে টিকে থাকতে গেলেই দক্ষিণাঞ্চলের দরকার ৫০৬ রান। নাহলে ম্যাচ পিছলে যাবে তিলকদের হাত থেকে।